আজকের প্রত্রিকা গুলোর সংবাদ
ইত্তেফাক:
শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেননি, তিনি এখনো প্রধানমন্ত্রী
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পাঁচ দিনের মাথায় তার সন্তান সজীব ওয়াজেদ বলেছেন, শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগই করেননি। সে সময়টুকু পাননি তিনি।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয় বলেন, ‘আমার মা দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বিবৃতি দিয়ে তারপর পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এ সময়ে আন্দোলকারীরা গণভবনের উদ্দেশে রওনা দেয়। তিনি ব্যাগ গোছানোর সময়টুকুও পাননি। আমি যতদূর জানি, সংবিধান অনুযায়ী তিনি এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।’
শুক্রবার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে রয়টার্স। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন থেকে তিনি রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রথম আলো:
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী প্রতিনিধি থাকবেন সব মন্ত্রণালয়ে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব মন্ত্রণালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী প্রতিনিধি থাকবেন। কীভাবে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হবে, কাঠামো কী হবে, সেটি পরে ঠিক করা হবে। গতকাল শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে এমন আলোচনা হয়েছে।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হলো আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ‘সহকারী উপদেষ্টা’ বা এ রকম কোনো পদায়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তদারকির সুযোগ করে দেওয়া হবে।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সব মন্ত্রণালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের সঙ্গে কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা সম্পৃক্ত থাকবেন।
মন্ত্রণালয়গুলোতে কীভাবে শিক্ষার্থীরা সম্পৃক্ত থাকবেন, সে বিষয়ে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, এর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে একটি সিদ্ধান্ত আগেও ছিল, সেটি
উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক হলো সহকারী উপদেষ্টা বা এ রকমভাবে কোনো পদায়ন করে মন্ত্রণালয়ে ছাত্রদের তদারকির সুযোগ থাকা; সেই ব্যবস্থা থাকবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, উপদেষ্টা পরিষদে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মনোনীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে পর্যবেক্ষণ ও তদারকির জন্য এবং ছাত্রদের কণ্ঠ (ভয়েস) থাকার জন্য দুজন ছাত্র প্রতিনিধিও এই উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন। এর পাশাপাশি সামনের দিনে ছাত্র প্রতিনিধিরা অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে সহকারী হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গত বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টাসহ এ সরকারে সদস্যসংখ্যা ১৭। ইতিমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা ও ১৩ জন উপদেষ্টা (তিনজন ঢাকার বাইরে থাকায় শপথ নিতে পারেননি) শপথ নিয়েছেন। এই তিনজনের শপথও শিগগিরই হতে পারে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্য উপদেষ্টাদের নিয়ে গতকাল সকাল ১০টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। বৃষ্টির মধ্যে তাঁরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর বেলা ১১টার দিকে তাঁরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান
মানবজমিন:
ইকোনমিস্টের রিপোর্ট
বাংলাদেশের নতুন শুরু
অসম্ভব মনে হলেও সত্যি গত ৫ই আগস্ট বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে গেছেন। যিনি জনতাকে ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে নিজের কর্তৃত্ববাদী শাসনের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করেছিলেন। রাজধানীর সড়কে সড়কে বিশাল জনতার উপস্থিতি তাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। এরই মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। অনেকেই স্বাধীনতার অর্ধ শতাব্দী পর এই গণঅভ্যুত্থানকে ‘দ্বিতীয় মুক্তি’ বলে অভিহিত করেছেন।
দেশজুড়ে উল্লাস প্রকাশ করছেন জনগণ। যদিও বাংলাদেশের সামনে এখন আরও বড় চ্যালেঞ্জ। কেননা তাদের এখন দীর্ঘ স্বৈরতান্ত্রিক সময় থেকে মুক্তির পর বাংলাদেশকে নতুন করে সাজানোর কাজে সময় দিতে হবে। দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে এখন ঢেলে সাজাতে হবে। এরমধ্যে ভালো খবর হচ্ছে এক স্বৈরাচারের বিপরীতে বাংলাদেশে এখন একজন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ দেশ গোছানোর সুযোগ পেয়েছেন।
দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় তুলে দিতে তার হাতে সময় খুবই কম। এখন দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সিদ্ধান্তের উপর এখন বাংলাদেশের ১৭ কোটি মাসুষের ভবিষ্যৎ ঝুলে আছে। বিশ্ব রাজনীতিতেও বাংলাদেশ এখন আগের চেয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। চীন, ভারত, রাশিয়া এবং পশ্চিমাদের মধ্যে বাংলাদেশ ইস্যুতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হতে পারে।
জুলাই থেকে বাংলাদেশে যে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তার রেশ এখনও কিছুটা বিদ্যমান। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।
দাবি ছিল কোটার মাধ্যমে যে বৈষম্য করা হচ্ছে তার অবসান। কেননা আন্দোলনকারীরা কোটা ব্যবস্থাকে হাসিনার দলীয় কর্মীদের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যম হিসেবে দেখছিলেন। এছাড়া দেশে কোনোরকম গণতান্ত্রিক ভাবধারা বজায় না থাকায় জনতার মধ্যেও ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে এ বছর জানুয়ারিতে সরকার বিরোধী দলবিহীন যে নির্বাচন করে তাতে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বনিক র্বাতা:
অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতার প্রশ্ন রাষ্ট্রপতির, আপিল বিভাগের মত— বৈধ
দেশে চলমান পরিস্থিতিতে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বৈধতা জানতে চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। জবাবে এক রুলে আপিল বিভাগ জানিয়েছেন, চলমান দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বৈধ।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের শপথ পড়ানোর আগে এর আইনি বৈধতা জানতে চান রাষ্ট্রপতি। পরে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের ৭ বিচারপতি এর বৈধতার পক্ষে মত দেন। শুক্রবার (৯ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন মতামত দেয়ার কথা নিশ্চিত করে। তারা জানায়, রাষ্ট্রপতি বলেছেন, এখন দেশে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেই। এ অবস্থায় রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের মতামত দরকার।পরে তারা আলোচনা করে এই মতামত দেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের কোনো বিধান না থাকায় উল্লিখিত প্রশ্নের বিষয়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ প্রদত্ত উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই মতামত দিচ্ছে যে, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কাজ পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টা নিয়োগ করতে পারবেন।
কালবেলা:
সরকারের যত চ্যালেঞ্জ
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটার পর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সময়কাল চূড়ান্ত না হলেও এই সরকারের সামনে এখন পাহাড়সম কাজ। শিক্ষার্থীদের সফল আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন সাধারণ মানুষের মধ্যে এক নতুন আশাবাদের জন্ম দিয়েছে। রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিরাজমান চরম অস্থিরতা কাটিয়ে গণমানুষের সেই স্বপ্নপূরণের পথরেখা তৈরি করাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সেই লক্ষ্য অর্জনে রাষ্ট্র ও সমাজকে কলুষমুক্ত করতে নিতে হবে নানামুখী পদক্ষেপ। কর্তৃত্ববাদী শাসনে ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্নির্মাণে নিতে হবে সর্বাত্মক সংস্কারের উদ্যোগ। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ পাচার ও ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞে জড়িতদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা এই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পুনর্গঠন, বিধ্বস্ত অবকাঠামো সংস্কার, চলমান মেগা প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এবং ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি গতিশীল করার দায়িত্বও কাঁধে চেপেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। সেইসঙ্গে আছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফেরানোর তাগিদ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বাধীনতার পর প্রতিটি সরকারের আমলেই শাসনব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলে ঘুষ, দুর্নীতি, ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব এবং দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এসব কিছুর প্রভাবে জিনিসপত্রের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যাপকহারে বাড়লেও মানুষের আয় বাড়েনি। বিনিয়োগ না হওয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। এর বিপরীতে ভিন্নমত দমনে চলেছে সীমাহীন নিপীড়ন। এসব কারণে বছরের পর বছর ধরে মানুষের ক্ষোভ বেড়েছে। কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কিন্তু মানুষের দুঃখ ও বঞ্চনা ঘোচাতে যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়ে সরকার উল্টো বল প্রয়োগের স্বৈরতান্ত্রিক পথ বেছে নিয়েছে। আন্দোলন দমন করতে চালানো হয়েছে নজিরবিহীন হত্যাযজ্ঞ। কিন্তু ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব জাগরণে শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা শুধু ক্ষমতা নয়, দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।
নয়াদিগন্ত:
জাতীয় অর্থনীতি
পদত্যাগ করেছেন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার
ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।
শুক্রবার দুপুরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে গভর্নর তার এক পৃষ্ঠার পদত্যাগপত্রটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো: আবদুর রহমান খানের কাছে পাঠান। সেখানে তিনি পদত্যাগের জন্য ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা উল্লেখ করেন। তবে এ বিষয়ে সচিব আবদুর রহমান খান কোনো মন্তব্য করেননি। পরে এ বিষয়ে আব্দুর রউফ তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইলফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বিষয়টি জানতে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। আগামীকাল অর্থ মন্ত্রণালয় ও তার আওতাধীন তিনটি বিভাগের সাথে বৈঠক রয়েছে তার। সেখানে হয়তো বিষয়টি জানা যেতে পারে।