ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফের মূখপাত্র রউফ হাসান জানিয়েছেন, পাকিস্তানের জাতীয় ও পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে সরকার গঠনের লক্ষ্যে মজলিস-ই-ওয়াহদাত-মুসলিমিনের (এমডব্লিউএম) সঙ্গে হাত মেলাবে পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফ (পিটিআই)।
আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে এব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, খাইবার পাখতুনখাওয়াতে সংরক্ষিত আসনের জন্য আমরা জামায়াত-ই-ইসলামির সঙ্গে জোট করবো। ইমরান খান এ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, যারা নির্বাচনে জিতেছে সরকার গঠন করার অধিকার তাদেরই আছে।
তেহরিক–ই–ইনসাফের মূখপাত্র বলেন, সরকার গঠনে পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন), পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ও মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট–পাকিস্তানের (এমকিউএম–পি) সঙ্গে জোট করতে বারণ করেছেন পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান।
রউফ হাসান বলেন, খাইবার পাখতুনখাওয়াতে সংরক্ষিত আসনের জন্য আমরা জামায়াত-ই-ইসলামির সঙ্গে জোট করবো। ইমরান খান এ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, যারা নির্বাচনে জিতেছে সরকার গঠন করার অধিকার তাদেরই আছে।
রউফ হাসান আরও বলেছেন , সরকার গঠনে পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন), পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ও মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট–পাকিস্তানের (এমকিউএম–পি) সঙ্গে জোট করতে বারণ করেছেন পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান।
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে মজলিস-ই-ওয়াহদাত-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম)।
অন্য দিকে ,পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এনের সঙ্গে জোট গঠনের কথা বলেছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি।
সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে ভোট হওয়া ২৬৫ আসনের মধ্যে ইমরান–সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯২ আসন। এরপরই পিএমএল–এন ও পিপিপি পেয়েছে যথাক্রমে ৭৫ ও ৫৪ আসন। কোনো দলই জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গড়তে জোট গঠনই এখন একমাত্র পথ।