“ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন অনেক প্রার্থী”
মানব কন্ঠ
নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের অবস্থা সরে দাঁড়ানো বিষয়ে মানব কন্ঠ প্রত্রিকার প্রধান খবর::“ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন অনেক প্রার্থী”
প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক হাজার ৮৯৬ জন প্রার্থী ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামলেও ভোটগ্রহণের এক সপ্তাহ আগেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন অর্ধেকের বেশি প্রার্থী। সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালনকারী জাতীয় পার্টি (জাপা) বিএনপিবিহীন এই নির্বাচনের মাঠে ক্ষমতাসীনদের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে লড়াই করতে ২৮৬টি আসনে প্রার্থী দিলেও ছাড়ের আসনগুলো বাদে আর কোথাও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না। যে কারণে ২৫৭টি আসনে তাদের প্রার্থীরা অনেকটা নামকাওয়াস্তেই রয়েছে। এরইমধ্যে দলটির মনোনীত অনেক প্রার্থী নির্বাচন বর্জন শুরু করেছে ঘোষণা দিয়ে। তবে ছোট দলগুলোর প্রার্থীদের বেশিরভাগই প্রচার-প্রচারণায় নেই। এমনকি অনেকে পোস্টার পর্যন্ত ছাপায়নি বলে জানা গেছে।
ছোট দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসনে (১৩৫ আসন) প্রার্থী দেয়া তৃণমূল বিএনপির শীর্ষ দু’তিন জন নেতা বাদে প্রার্থীদের বাকি সবাই নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে তারা নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা থেকে ক্রমশ সরে যাচ্ছেন। একই অবস্থা, বিএনএম, এনপিপি, ইসলামী ঐক্যজোট, ইসলামী ফ্রন্টসহ অনেক দলের। নির্বাচনে ২৭টি দল অংশ নিলেও মূলত ভোটের মাঠে এদের অর্ধেকও নেই। প্রায় এক ডজন ছোট দল প্রচারণা তো দূরে থাক, পোস্টার পর্যন্ত ছাপায়নি। তবে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের নেতারা যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন তারা ভোট জমজমাট করার চেষ্টা করছেন। প্রচার-প্রচারণা, সংঘাত-সহিংসতা সব কিছুই হচ্ছে তাদের মধ্যে। যে কারণে তেমন নির্বাচনী উত্তাপ নেই কোথাও। পৃষ্ঠা ঢাকার বাইরে শতাধিক আসনে কিছুটা উত্তাপ আছে। তাও নির্বাচন বর্জনকারীদের ভাষায় ‘মামু-খালুদের নির্বাচন’ অর্থাৎ আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগ যুদ্ধ। এমন কোনো আসন নেই যেখানে আওয়ামী লীগের সাথে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ও নির্বাচন বিশ্লেষকরা এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে ভাবছে না তা নয়। সংস্থাটি এজন্য জোর দিচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর। নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি মনে করে, অন্তত ভোটকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করা গেলে দেশিয় কিংবা আর্ন্তজাতিক সব মহলেই কথা কথা বলার সুযোগ মিলবে। অন্যথায় বিশ্ব থেকে বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান এ বিষয়ে গতকাল রবিবার বলেন, ‘আমরা শুধু আমাদের দৃষ্টিতেই অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করলে হবে না। আমাদের দিকে সমগ্র বিশ্ব তাকিয়ে আছে। আমরা যদি আমাদের এই নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর এবং গ্রহণযোগ্য করতে না পারি; তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। বাংলাদেশের সকল বিষয়; বিশেষ করে আর্থিক, সামাজিক, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবকিছু থমকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, বাংলাদেশ হয়তোবা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকবে।’ নির্বাচন ভবনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্যাটদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ইসির চেষ্টার কমতি নেই। নির্বাচনকে যেকোনো মূল্যে সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করতে হবে।’
২৫৭ আসনে জাপার প্রার্থী নামকাওয়াস্তে, কয়েক আসনে ভোট বর্জন: আওয়ামী লীগকে হারিয়ে ‘ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর’ থাকার কথা বললেও জাতীয় পার্টি (জাপা) অধিকাংশ আসনে প্রচার ও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই। ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে ছাড় পাওয়া ২৬ আসনের বাইরে মাত্র ৮-১০টিতে নৌকার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে লাঙ্গল। আরও কয়েকটিতে প্রচার চালাচ্ছে। বাকি আড়াইশ’ আসনে জাপার দৌড় প্রার্থী রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। দলটির শীর্ষ নেতারা নিজের আসনের বাইরে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের প্রচারে নামেননি।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
ভুমি দখল নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন এর প্রধান খবর: “দখলের জমি মন্ত্রীকে উপহার”
♦ আদালতের নিষেধাজ্ঞার জমিতে একজন মন্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড
♦ জমি দখল করতে না পেরে মালিকের তিন তলা বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়
♦ প্রটোকলের গাড়ি নিয়ে এসে সাইনবোর্ড টানান মন্ত্রীর লোকজন
♦ জমি বিক্রি করিনি, রফিক কীভাবে মন্ত্রীকে উপহার দেয় : ভুক্তভোগীরা
রূপগঞ্জের নাওড়ায় দখলের জমি উপহার দেওয়া হয়েছে এক মন্ত্রীকে। লাগানো হয়েছে মন্ত্রীর কোম্পানির সাইনবোর্ড। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা এই জমিতে মন্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড নিয়ে রূপগঞ্জে চলছে তোলপাড়। গত ৩০ ডিসেম্বর সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে প্রভাবশালী ওই মন্ত্রীর গানম্যান ও সরকারি স্টাফদের নিয়ে সাইনবোর্ড স্থাপনের পর থেকেই হতবাক এলাকাবাসী। ভুক্তভোগীরা বলছেন, আমরা জমি বিক্রি করিনি। আমাদের জমি রংধনুর রফিক কীভাবে মন্ত্রীকে উপহার দেয়? শুধু তাই নয়, জমি দখলের আগে জমির মালিকের তিন তলা বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে রংধনুর রফিক। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে সরকারের প্রভাবশালী ওই মন্ত্রীর জমি ব্যবসায় জড়ানো নিয়ে খবর ছিল। তবে ওই মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের নন। এমনকি ঢাকা বিভাগেরও নন। খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রভাবশালী এই মন্ত্রীর বাড়ি চট্টগ্রামে।
কালের কন্ঠ
চলমান অর্থনৈতিক সংকটকালে করণীয় নিয়ে কালের কন্ঠ প্রত্রিকার প্রধান খবর:“সংকটে স্বস্তি আনতে পারে সংস্কার”
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে কঠোর সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিলে নতুন বছরে স্বস্তি মিলবে। স্থিতিশীল হবে দেশের অর্থনীতি। হয়তো উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে না।তারা চায় কর্মসংস্থানের সুদিন ফিরবে, বাড়বে শ্রমজীবী মানুষের আয়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার আশা করছেন অর্থনীতিবিদরা। শিল্পের উৎপাদনে গতিশীলতা ও আমদানি-রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
আর এই স্বস্তির সুবাতাস ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন হবে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার।নির্বাচন-পরবর্তী নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ হবে। আর অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে সংকট কাটবে এমনটা মনে করছেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা।
বিদায়ি বছরে অর্থনীতির সব সূচক ছিল নেতিবাচক। বছরজুড়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে পিষ্ট হয়েছে ক্রেতা-ভোক্তা।
যুগান্তর
যুগান্তর প্রত্রিকার প্রধান খবর:“প্রত্যাশার নতুন আলো”
নতুন দিনের আভায় পুবের আকাশে উদিত হয়েছে নতুন সূর্য। ছড়িয়ে পড়েছে তার আলো কুয়াশার চাদর ভেদ করে। আজকের সূর্যোদয় নিয়ে এসেছে নতুন বারতা, নতুন আনন্দধারা। বিগত দিনের সব ভুল, হতাশা, দুঃখ, গ্লানি মুছে দিয়ে আজ শুরু হবে নতুন উদ্যমে সফলতার পানে এগিয়ে চলা। আজ ২০২৪ সালের প্রথম সূর্যোদয়। এতে আছে অন্ধকার কেটে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। সকালে খ্রিষ্টীয় নতুন বছরের সূর্যোদয় হলেও ঘড়ির কাঁটা রোববার রাত ১২টা অতিক্রমের সঙ্গে সঙ্গেই গণনা শুরু হয়েছে নতুন বছরের। নতুন বছর মানেই নতুন প্রত্যাশা। উদ্যম আর সাহস নিয়ে আবারও পথচলার শুরু।
খ্রিষ্টীয় নতুন বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মানবজমিন
রাজনীতি ও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে মানবজমিন প্রত্রিকার প্রধান খবর:“কঠিন চ্যালেঞ্জে রাজনীতি অর্থনীতি”
প্রতিবেদনে বলা হয়, কালের গর্ভে হারিয়ে গেল আরও একটি বছর। শুরু হলো নতুন একটি বছরের দিন গণনা। নানা ঘটনা, প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির মোড়কে অতীত হয়ে গেছে বিদায়ী ২০২৩। নতুনের হাতছানি আর সম্ভাবনাকে সামনে রেখে নতুন বছরকে বরণ করেছে মানুষ। ২০২৪ সালটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য একসঙ্গে সম্ভাবনা ও নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাজির হয়েছে। বছরের শুরুতে জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশের নতুন গতিপথ পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই এ নির্বাচনে চোখ পুরো বিশ্বের। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ বেশির ভাগ বিরোধী দল এই নির্বাচন বর্জন করেছে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, তাদের মিত্র আর শরিকরা আছেন নির্বাচনের লড়াইয়ে।মূলত ভোটের মাঠে লড়াই হচ্ছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আর দলটির নেতাদের মধ্যে থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়াদের মধ্যে।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলীয় ডামি প্রার্থী দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। আর এই ডামি প্রার্থীই এবারের নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে সরকারের ওপর দেশে এবং দেশের বাইরে থেকে প্রবল চাপ ছিল। বন্ধু রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক মহল এমন একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য আহ্বান এবং পরামর্শ দিয়ে আসছিল অব্যাহত ভাবে। বাংলাদেশে একটি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে জোরালো অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।
বনিক বার্তা
আজকে দৈনিক বনিক বার্তা প্রত্রিকার প্রধান খবর :“বর্তমান নীতি অনুসরণ করলে বছরজুড়েই থাকবে মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ”
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সুদের হার আরো বাড়াতে হবে। কমিয়ে আনতে হবে বাজেটের আকার। এ রকম আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে মূল্যস্ফীতির রাশকে টেনে ধরা সম্ভব। তবে বর্তমান বাস্তবতায় এ ধরনের আগ্রাসী পদক্ষেপ নেয়াটা সরকারের জন্য অনেকটাই দুরূহ ব্যাপার। সুদহার ও বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার মতো ভারসাম্যমূলক পদক্ষেপে এখনই হাঁটতে চায় না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ধীরে ধীরে পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে চান নীতিনির্ধারকরা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা
তহবিলের (আইএমএফ) প্রক্ষেপণ হচ্ছে, ২০২৪ সালে এ ধরনের ধীরগতির পদক্ষেপের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নামিয়ে আনা অনেকটাই দুঃসাধ্য ব্যাপার।
আইএমএফ বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে তাদের সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তিনটি পথের কথা বলেছে। অ্যাকটিভ, হকিশ ও দোভিশ। অ্যাকটিভ পলিসির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি প্রান্তিকে প্রত্যাশার তুলনায় মূল্যস্ফীতি কমানোর বিষয়ে নীতি সুদহার নির্ধারণ করবে, চাহিদার চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে এবং নীতি সুদহারের কাছাকাছি পর্যায়ে যাতে কলমানি সুদের হার বজায় থাকে সেটি নিশ্চিত করবে। হকিশ পলিসির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি অর্থবছরের মধ্যে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রায় মূল্যস্ফীতি নামিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেবে। হকিশ পলিসি অনুসরণ করলে দ্রুত মূল্যস্ফীতি কমতে থাকবে, তবে এটি হবে ব্যয়বহুল। এক্ষেত্রে আগ্রাসীভাবে সুদের হার বাড়াতে হবে, অন্যদিকে রাশ টানতে হবে সরকারের ব্যয়ে। আর দোভিশ পলিসির ক্ষেত্রে সংস্থাটি বলছে, এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের
বর্তমান নীতির সঙ্গে যায় এবং এ নীতি চলতি অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত বজায় থাকবে। এ নীতি অনুসরণ করলে পুরো ২০২৩-২৪ অর্থবছরেই মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী থাকবে এবং সুদের হার বাড়ানো শুরু করার পর সেটি কমতে থাকবে। আইএমএফ মনে করছে বাংলাদেশের জন্য হকিশ ও দোভিশ পলিসির মাঝামাঝি নীতি অনুসরণ করাটা সুবিধাজনক হবে।
দৈনিক সংগ্রাম:
একপাক্ষিক নির্বাচন উল্লেখ করে দৈনিক সংগ্রাম প্রত্রিকার প্রধান খবর: “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একদলীয় ও একপাক্ষিক”
প্রতিবেদনে বলা হয়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে একদলীয় এবং একপাক্ষিক বলে অভিহিত করে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চেয়ারপারসন আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেছেন, নির্বাচনে একটা দলের নির্বাচন হচ্ছে। আওয়ামী লীগের জোটে যারা আছে তারাই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও আসক জানায়, চলতি (২০২৩) বছর সারাদেশে ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৫৭৩ জন। এর মধ্যে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছেন ৩৩ জন এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ৫ জন।
গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আসক আয়েজিত ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০২৩: আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক সাংবাদিক সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চেয়ারপারসন আইনজীবী জেড আই খান পান্না, আসকের সিনিয়র সমন্বয়ক আবু আহমেদ ফয়জুল কবির, সমন্বয়ক তামান্না হক রীতি।
সাংবাদিক সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে ২০২৩ সালের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবেদন তুলে ধরেন আসক নির্বাহী পরিচালক ফারুক ফয়সাল। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে সংগৃহীত তথ্যে তৈরি প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, নির্বাচনের আগে আদালত সাজা দেয়ার ঘটনা লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। ঢাকায় গত ৫ মাসে ৯২ মামলার সাজা হয়েছে অন্তত ১ হাজার ৫১২ জন সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর।
যায়যায়দিন
যায়যায়দিন প্রত্রিকার প্রধান খবর: “জাতিসংঘসহ ঢাকার বিভিন্ন দূতাবাসে বিএনপির চিঠ “
নির্বাচনকে সামনে রেখে নাশকতা ও অগ্নিসন্ত্রাসের জন্য সরকারকে দায়ী করে জাতিসংঘ ও ঢাকাস্থ দূতাবাসগুলোতে চিঠি দিয়েছে বিএনপি। পাঁচ পৃষ্ঠার ওই চিঠিতে ৩০টি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। রোবাবার ই-মেইলের মাধ্যমে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন রিজভী। এদিন বিকালে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই চিঠি পড়ে শোনান তিনি। আর দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তর চিঠিটি গ্রহণ করেছে। চিঠিতে একতরফা নির্বাচন আয়োজন, নাশকতার সঙ্গে সরকার জড়িত ও বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে- প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করতে রাষ্ট্রীয় মদদে চলমান অগ্নিসন্ত্রাস ও নাশকতা চলছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিজেরা তালিকা করে ধারাবাহিকভাবে, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় বিএনপির নেতাকর্মীদের আটক বিশেষত অগ্নিসন্ত্রাসের বানোয়াট অভিযোগে তারা ছাত্রদল ও যুবদলের সদস্যদের টার্গেট করছে, মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে।
পাঠানো চিঠিতে বিএনপি জানিয়েছে, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের দুটি বিতর্কিত নির্বাচনের পটভূমিতে, আবারও আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে একটি প্রহসনমূলক ও সহিংস কারচুপির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তথাকথিত এই ‘ডামি নির্বাচন’ সামনে রেখে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যে নাশকতা চলছে, তাতে শুধু গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই নন, নিপীড়ন-নিষ্পেষণের শিকার হচ্ছেন খেটে খাওয়া প্রান্তিক মানুষ। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান-কাঠামোতে, বিশেষত বাস-ট্রেনে পরিকল্পিত হামলার মাধ্যমে, জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা-স্বাধীনতা বিনষ্ট করছে আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাংশ।’
সহিংসতার বিষয় উলেস্নখ করে চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘চলমান অগ্নিসংযোগের প্রতিটি ঘটনায় একটি সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যার একমাত্র সুবিধাভোগী আওয়ামী লীগ ও তার অধীনস্থ রাষ্ট্রযন্ত্র, আর প্রধান ভুক্তভোগী বিএনপি। ক্ষমতাসীন শীর্ষ নেতৃত্ব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কোনো তদন্ত, তথ্য বা সূত্র ছাড়াই প্রতিটি ঘটনার পরপর অবলীলায় ও একই সুরে অগ্নিসন্ত্রাসের দায় বিএনপির উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। নিজেদের সুপরিকল্পিত এই ধ্বংসযজ্ঞকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহার করে তারা রাষ্ট্রীয় দমন-নিপীড়নকে উসকে দিচ্ছেন, যা শেখ হাসিনার প্রতিহিংসামূলক বক্তব্যে বারবার প্রমাণিত হয়েছে।’
সমকাল
সমকাল প্রত্রিকার প্রধান খবর: “১১৮ আসনে নৌকা নিরাপদ”
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচনের ১১৮ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা জয়ের পথে তেমন বাধা নেই। এর অধিকাংশ আসনে দলটির কোনো নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হওয়ায় এবং ছোট ছোট রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা পিছিয়ে থাকায় সরকারি দলের প্রার্থীরা আছেন বেশ ফুরফুরে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কয়েকজন শীর্ষ নেতার কাছ থেকে পাওয়া আসনভিত্তিক পর্যালোচনায় এমন তথ্য মিলেছে।
প্রায় একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন সরকারি দলের বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা। তাদের অনেকেই ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন করে এসেছেন। এ ছাড়া সমকালের স্থানীয় প্রতিনিধিদের তথ্য বিশ্লেষণেও পাওয়া গেছে এমন আভাস।
আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা সমকালকে জানিয়েছেন, ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে দলের ১১৮ প্রার্থীর বিজয় প্রায় নিশ্চিত। এসব আসনে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন। এ কারণে এসব আসনে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা নেই বললেই চলে। এ সুযোগে অনেক প্রার্থী পাশের নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
আওয়ামী লীগের নিরাপদ আসনের মধ্যে রয়েছে– পঞ্চগড়-২, ঠাকুরগাঁও-১, দিনাজপুর-২, দিনাজপুর-৬, নীলফামারী-১, রংপুর-৪, রংপুর-৬, জয়পুরহাট-১, জয়পুরহাট-২, বগুড়া-৫, বগুড়া-৭, রাজশাহী-৩, রাজশাহী-৪, নাটোর-২, সিরাজগঞ্জ-১, সিরাজগঞ্জ-২, সিরাজগঞ্জ-৪, সিরাজগঞ্জ-৬, পাবনা-২, পাবনা-৪, পাবনা-৫, যশোর-২, যশোর-৪, মাগুরা-১, মাগুরা-২, নড়াইল-১, নড়াইল-২, বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২, বাগেরহাট-৪, খুলনা-১, খুলনা-২, খুলনা-৩, খুলনা-৬, সাতক্ষীরা-৩, বরগুনা-২, পটুয়াখালী-২, ভোলা-১, ভোলা-২, ভোলা-৩, ভোলা-৪, বরিশাল-১, বরিশাল-৫, ঝালকাঠি-১, ঝালকাঠি-২, টাঙ্গাইল-১, টাঙ্গাইল-৬, টাঙ্গাইল-৭, জামালপুর-১, জামালপুর-৩, শেরপুর-২, নেত্রকোনা-১, নেত্রকোনা-৪, নেত্রকোনা-৫, কিশোরগঞ্জ-৪, কিশোরগঞ্জ-৬, মানিকগঞ্জ-৩, মুন্সীগঞ্জ-২, ঢাকা-৩, ঢাকা-৬, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১১, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, গাজীপুর-৪, নরসিংদী-২, নরসিংদী-৫, নারায়ণগঞ্জ-২, নারায়ণগঞ্জ-৪, গোপালগঞ্জ-২, গোপালগঞ্জ-৩, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, শরীয়তপুর-১, শরীয়তপুর-৩, সুনামগঞ্জ-৩, সুনামগঞ্জ-৫, সিলেট-১, সিলেট-৪, মৌলভীবাজার-১, মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪, হবিগঞ্জ-২, হবিগঞ্জ-৩, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কুমিল্লা-৩, কুমিল্লা-৮, কুমিল্লা-৯, কুমিল্লা-১০, কুমিল্লা-১১, চাঁদপুর-১, চাঁদপুর-২, ফেনী-১, ফেনী-২, নোয়াখালী-১, নোয়াখালী-৫, নোয়াখালী-৬, চট্টগ্রাম-৪, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৭, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১, চট্টগ্রাম-১৩, চট্টগ্রাম-১৪, কক্সবাজার-২, কক্সবাজার-৩, কক্সবাজার-৪, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান।