যুগান্তর:
“অর্ধেকে নেমেছে শিল্পকারখানার উৎপাদন”
গ্যাস সংকটের উন্নতি না হওয়ায় গাজীপুরে শিল্পকারখানার উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এ কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে সময়মতো অর্ডার সরবরাহ। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। শ্রমিকদের বসিয়ে রেখে বেতনভাতা দিতে হচ্ছে। এতে শিল্পমালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পথে। জানা যায়, গাজীপুরে ছোট-বড় পাঁচ হাজারেরও বেশি পোশাক কারখানা, কলকারখানা রয়েছে। আর এর বেশির ভাগই গ্যাসনির্ভর। এক থেকে দেড় মাস এসব কলকারখানায় গ্যাস সংকট চলছে। বায়ার (ক্রেতা) ধরে রাখতে অনেকে ভর্তুকি দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় কারখানা চালু রাখলেও বাসাবাড়িতে গ্যাস সংকটে শ্রমিকরা ঠিকমতো শিডিউল মেলাতে পারছেন না। অনাহারে-অর্ধাহারে শ্রমিকরা কারখানায় এলেও গ্যাসের চাপ না থাকায় তাদের বেকার সময় পার করতে হচ্ছে। এ সংকটের সমাধান না হলে শতভাগ রপ্তানিমুখী শত শত পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
সমকাল:
“বড় ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা সংকট কাটছে না শিগগির”
গ্যাস সংকটের জাঁতাকলে পড়ে বন্ধ হয়ে আছে অনেক শিল্পকারখানার চাকা। এ কারণে উৎপাদন শিকেয় উঠেছে। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য সরবরাহে নেমে এসেছে বিপর্যয়। গ্যাস সংকটে শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়ায় প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে বস্ত্র উৎপাদন কমেছে ৬৫ শতাংশ। নিট খাতের উৎপাদন কমেছে ৪০ শতাংশ। ফলে প্রধান পণ্য পোশাক রপ্তানি কমে গেছে অনেকটাই। দেশে অভ্যন্তরীণ পোশাক বাজারের চাহিদামতো সুতা ও কাপড়ের জোগান কমে গেছে। ফলে এসব পণ্যও আমদানি করতে হতে পারে; যা রিজার্ভে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
প্রথম আলো:
“বড় প্রকল্প ২ বছর বাদ থাকুক, চিহ্নিত হোক লুণ্ঠিত ঋণ”
সামষ্টিক অর্থনীতি অস্থিতিশীলতার মধ্যে আছে। এমন সময়ে দেশে নতুন কোনো মেগা প্রকল্প নেওয়া অন্তত দুই বছরের জন্য বাদ দিতে হবে। আর চিহ্নিত করে আলাদা করতে হবে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের মধ্যে লুণ্ঠিত ঋণ বা বেনামি ঋণ। সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার করতে দরকার টাস্কফোর্স গঠন করা।
প্রথম আলো আয়োজিত ‘অর্থনীতি: নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঢাকার কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে গতকাল শনিবার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন শওকত হোসেনের সঞ্চালনায় এতে সাবেক একজন প্রতিমন্ত্রী, অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।
বাংলাদেশ প্রতিদিন:
♦ যাবে না উপজেলা নির্বাচনে ♦ নেতা-কর্মীদের মুক্ত করতে আইনি লড়াই ♦ ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরে করবে সমাবেশ ♦ এ মাসেই ঢাকা অথবা রাজশাহী থেকে শুরু
জাতীয় নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরও রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। কোনো অবস্থায়ই মাঠ ছাড়বে না দলটি। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা বিএনপির সমমনা জোট ও দলগুলো। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরও সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তারা একমত। ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বাতিলের দাবিও যুক্ত হচ্ছে এবারের আন্দোলনে। চলতি মাসে শুরু করার কথা ঢাকাসহ বিএনপির নয়টি বিভাগীয় সমাবেশ। অন্যদিকে আগামী উপজেলা নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তেও অটল রয়েছে রাজপথের এই বিরোধী দল। কারাবন্দি নেতা-কর্মীদের মুক্ত করতে তারা চালিয়ে যাবে আইনি লড়াই। দলের নীতিনির্ধারক মহল সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইত্তেফাক:
“মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আজ শুরু”
রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীতে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। পূর্বাচল নতুন শহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য রপ্তানিকে বহুমুখী করার মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্য বাড়ানো। গার্মেন্টেস খাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বহুমুখীকরণ করা। তিনি বলেন, আমরা এখন পাট এবং চামড়া শিল্পের ওপরে বিশেষ নজর দিচ্ছি। এই দুই খাতে অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
মানবজমিন:
“গ্যাস সংকটে নানামুখী দুর্ভোগ”
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে ত্রুটির কারণে সারা দেশে গ্যাসের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এতে বেড়েছে দুর্ভোগ। গ্যাসের সংকটে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পোশাক, সিরামিক, সিমেন্ট ও ইস্পাতসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাসের চাপের তারতম্যের কারণে কারখানার যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প মালিকরা। ওদিকে গ্যাস সংকটে আবাসিক গ্রাহকরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে বাসাবাড়িতে রান্নার কাজ হচ্ছে মাটির চুলায় ও সিলিন্ডার গ্যাসে। এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন আবাসিক গ্রাহকরা। এদিকে সিএনজি পাম্পেও গ্যাস সংকট। গ্যাসের চাপ না থাকায় প্রায় প্রতি পাম্পেই বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সরজমিন কারাখানা ও আবাসিক এলাকা ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
নয়াদিগন্ত:
“মনোবল ধরে রাখাই এখন বিএনপির চ্যালেঞ্জ”
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আরও বলেন, গত ১৫ বছর যাবৎ এই সরকার জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছে। এই সরকারের প্রতি জনগণের কোনো আস্থা নেই। বর্তমান সরকার অবৈধ। জনগণ এই সরকারকে ভোট দেয়নি। বাংলাদেশে ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে একটি প্রহসন হয়েছে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোট প্রদানের হার সম্পর্কে সরকার যা বলছেন, তা অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। জনগণ যেখানে ভোট দিতেই যায়নি, সেখানে সরকারের ব্যক্ত করা ভোট প্রদানের হার মোটেই বিশ্বাসযোগ্য নয়, বরং হাস্যকর। জাতিসংঘ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক মহল বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে বলেছেন, বাংলাদেশের এই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হয়নি। বিশ্বের ৬টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ৭ জানুয়ারির নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলেছেন, এই নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে যায়নি এবং তাদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেনি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচনে কত ভাগ ভোট কাস্ট হয়েছে, তা জানতে চেয়েছে।
কালবেলা:
“ভূগর্ভে’ গেল ১৩০ কোটি”
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশে প্রথমবারের মতো ভূগর্ভস্থ গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ও ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। এজন্য ২০১৮ সালে নেওয়া হয়েছিল ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প। এই টাকায় ২০২৩ সালের মধ্যে রাজধানীর গুলশান ও কারওয়ান বাজারে মাটির নিচে দুটি গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণের কথা ছিল। সেই মেয়াদ শেষ হলেও প্রকল্পের ডিজাইন ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি ডেসকো ও ডিপিডিসি। এরই মধ্যে ১৩০ কোটি টাকা ব্যয় হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত কাজ শুরুর আগে প্রকল্প দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
দেশ রুপান্তর:“বিরোধী দলে বসার সিগন্যাল এখনো পাইনি”https://www.deshrupantor.com/483796/
জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হওয়ার কোনো সিগন্যাল এখনো জাতীয় পার্টি পায়নি বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তাব রেজল্যুশন করা হয়েছে। রেজল্যুশন আমরা স্পিকারের কাছে পেশ করেছি। আগামী ৩০ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশনে কে হচ্ছে বিরোধী দল, তা স্পিকার জানাবেন।’ গতকাল শনিবার রংপুর নগরীর সেনপাড়ার স্কাই ভিউ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জাপা চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।