মানবজমিন
মানবজমিন প্রত্রিকার প্রথম পাতার খবর:ভিডিও ভাইরাল/ফল ঘোষণার মঞ্চে ইসি সচিব বললেন ‘বিতর্কিত বানাইয়া ফেলাইছে’
ভোটের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলমের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার রাতে জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণার মঞ্চে বসে পাশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় ওই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। টেলিভিশন ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কীভাবে এলো স্পষ্ট নয়। ভিডিও নিয়ে অনেকে নানা মন্তব্যও করেছেন।
ভিডিওতে পাশে বসা জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক একেএম হুমায়ূন কবীরের সঙ্গে আলাপের সময় ইসি সচিবকে বলতে শোনা যায়, ‘যেয়ে ঘুমাইয়া যামুগা। এখানে বসে থেকে লাভ আছে? সবাই রেজাল্ট জানে। ৬৪ ডিসিদের মেসেজ আছে। পড়ে চলে যামুগা। ডিসিরা পাঠাইছে না। সব আছে। আমার কাছে আছেতো।এ সময় পাশে থাকা কর্মকর্তা ইসি সচিবের কানে কানে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনের ফল নিয়ে কিছু বলছিলেন। তখন ইসি সচিব বলেন- বিতর্কিত বানাইয়া ফালাইছে।
দেশ রূপান্তর
দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার খবর:‘বিরোধী হতে রাজি নয় স্বতন্ত্ররা’
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পর সবচেয়ে বেশি আসন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেলেও বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিরোধী দলের আসনে বসতে রাজি নন।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, একাধিক প্রার্থী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সংসদে তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকতে চান। তারা তো আওয়ামী লীগই। বিরোধী দলে কীভাবে বসবেন?’
তবে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যদি সংসদে সরকারি দল আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে সরকারি দলের আসনেই বসতে চান, তাদের জন্য সেই সুযোগও আছে। তারা সরকারি দলে যোগ দিলেও তাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে না।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এমন ইচ্ছা পোষণের বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের ভাষ্য, আইনে কী আছে, জটিলতা কোথায় আছে এগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
নয়াদিগন্ত
নয়াদিগন্ত প্রত্রিকার প্রথম পাতার খবর:“বিএনপি এখন কী করবে”
মূলত ৫-১০ ভাগ ভোট পড়েছে। নির্বাচনে এই ভোটার উপস্থিতি কম হওয়াকে আন্দোলনের প্রাথমিক সাফল্য হিসেবে দেখছে বিএনপিনির্বাচন শেষ। কর্মী, সমর্থক ও ভোট বর্জন করা সাধারণ জনগণের এখন একটাই প্রশ্ন, কী করবে বিএনপি। জানা গেছে,
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট বর্জনের পর এখন ‘পরিস্থিতি’ বুঝে সামনের দিকে এগোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। দলটির নেতারা মনে করছেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জনগণ একতরফা ভোট বর্জন করেছে। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ৪০ শতাংশ ভোট পড়ার কথা বলা হলেও মূলত ৫-১০ ভাগ ভোট পড়েছে। নির্বাচনে এই ভোটার উপস্থিতি কম হওয়াকে আন্দোলনের প্রাথমিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন তারা।
দলটির দাবি, ভোটারবিহীন এই নির্বাচন দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। তাদের প্রত্যাশা, এমন ভোটের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক বিশ্ব বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্ব সোচ্চার হবে এবং তাদের পক্ষ থেকে সরকারের ওপর নানামুখী চাপ প্রয়োগের পদক্ষেপ আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন সরকারের টিকে থাকা কঠিন হবে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর কর্মসূচিতে যাচ্ছে না বিএনপি
বণিক বার্তা
‘ভর্তুকির বন্ডে সুদ ব্যয় সমন্বয় হবে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে’- খবরটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতার। এতে বলা হয়েছে, সরকার নগদ অর্থের অভাবে ভর্তুকির অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বিপুল অংকের বিল বকেয়া হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি ভর্তুকির অর্থের বিপরীতে বিশেষ ট্রেজারি বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে আপাতত সরকারের দায় পরিশোধ কিছু সময়ের জন্য পেছানো হয়েছে।
তবে এক্ষেত্রে বন্ডের সুদ বাবদ সরকারকে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি, পুঞ্জীভূত ভর্তুকির অর্থও পরিশোধ করতে হবে।
সব মিলিয়ে, এ মুহূর্তে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো ছাড়া আর কোনও উপায় দেখছে না সরকার। তাই, চলতি শীত মৌসুমেই আরেক দফা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
বিদ্যুৎ বিভাগের বরাত দিয়ে বলা হয়, এবার ৩০ শতাংশের মতো দাম বাড়ানো হতে পারে। তবে এটি একেবারে না বাড়িয়ে কয়েক ধাপে বাড়ানো হবে; যাতে গ্রাহকের ওপর চাপ কম পড়ে
সমকাল
সমকাল প্রত্রিকার প্রথম পাতার খবর:“প্রতিদ্বন্দ্বী যেখানে দুর্বল ভোট বেশি সেখানে”
কুমিল্লা-৮ আসনে একচেটিয়া জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। নৌকার প্রার্থীর ২ লাখ ৯৪৬ ভোটের বিপরীতে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন ৩ হাজার ৭২১ ভোট। একপেশে নির্বাচন হলেও, জেলার ১১ আসনের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিত ছিল এ আসনে।
কুমিল্লা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৪ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৪৫০ ভোট। এমন তুমুল লড়াই হলেও এই আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। কুমিল্লা-৩ আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ। নৌকা ৮৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে কুমিল্লা-৭ আসনে। এখানে ভোটের হার ৬৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
প্রথম আলো
‘ভোটের হার নিয়ে সন্দেহ, প্রশ্ন’– এটি দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়ার হার নিয়ে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করছেন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সোমবার জানিয়েছে, এ নির্বাচনে মোট ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোটের হার নিয়ে কারও সন্দেহ থাকলে তাদেরকে চ্যালেঞ্জ জানানোর আহ্বানও জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
এদিকে, রোববার, অর্থাৎ ভোটের দিন তিন দফায় ভোটের শতকরা হার ঘোষণা করেছিল ইসি।
সেই হিসাব অনুযায়ী, দুপুর ১২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত গড়ে সাড়ে ১৮ শতাংশ ভোট পড়ে। এরপর বেলা তিনটা পর্যন্ত ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোট পড়ার কথা জানিয়েছিল ইসি।
তখন বলা হয়েছে, সব জায়গার হিসাব পাওয়া যায় নি। ভোটের হারে কিছু হেরফের হতে পারে।
সবশেষে, বিকেল চারটায় ভোট শেষ হওয়ার ঘণ্টা দেড়েক পর সংবাদ সম্মেলনে সিইসি শুরুতে বলেন, ভোট পড়েছে ২৮ শতাংশ। পরে তাকে পাশ থেকে একজন সংশোধন করে বলেন, সংখ্যাটি ৪০ শতাংশ হবে। সিইসি তখন ভোটের হার ৪০ শতাংশ হতে পারে বলে জানান এবং বলেন, নিশ্চিত হিসাব নয়।
এই হার অনুযায়ী, ভোট গ্রহণের শেষ এক ঘণ্টাতেই ভোট পড়েছে ১৪ শতাংশের বেশি। শেষ সময়ে ভোটের হার বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদেরই অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রত্রিকার প্রথম পাতার খবর:“কবে হবে মন্ত্রিসভা”
*নতুন সংসদ ও সরকার
♦️ চলতি সপ্তাহে এমপিদের শপথ
♦️ প্রস্তুতি সংসদ ও বঙ্গভবনে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যদের গেজেট প্রকাশের পর চলতি সপ্তাহেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এর পরই সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নতুন সরকার গঠনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানাবেন। আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। এমপিদের শপথ ও মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের প্রশাসনিক কাজ শুরু করেছে সংসদ সচিবালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সংসদ সচিবালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
কালের কন্ঠ
কালের কন্ঠ প্রত্রিকার প্রথম পাতার খবর: “দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জয় স্বতন্ত্রের,তবু বিরোধী দলে জাতীয় পার্ট”
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দ্বিতীয় সর্বোচ্চসংখ্যক আসনে বিজয়ী হলেও দল হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাতীয় পার্টি। সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী দ্বিতীয় সর্বোচ্চসংখ্যক আসনে বিজয়ী দলই বিরোধী দল হবে এবং সেই দলের নেতা বিরোধীদলীয় নেতা হবেন।
সেই হিসাবে দশম ও একাদশ সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি আবার বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে। আগামী ১১ জানুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন।চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে বসতে পারে দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন। এর আগেই বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হবেন।
বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সমমনা দলগুলোর বর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করবে, এটা নিশ্চিত ছিল। আলোচনা ছিল, আগামী দিনে বিরোধী দল কারা হচ্ছে?ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৮টির বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ ২২২টি, জাতীয় পার্টি ১১টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি একটি করে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন
নিউজ এইজ
নিউজ এইজ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর“Yunus should apologise: PM”, অর্থাৎ ‘ইউনূসের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ: প্রধানমন্ত্রী”
সোমবার গণভবনে নির্বাচন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমা করা তার ব্যাপার নয়।
ড. ইউনূসকে ক্ষমা করার বিষয়টি বিবেচনা করবেন কিনা, একজন ভারতীয় সাংবাদিকের করা এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শ্রম আদালতের রায়ে তার এখানে কিছু করার নেই।
প্রতিবেদনটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘ইউনূস শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং তিনি তার নিজের কর্মচারীদের বঞ্চিত করেছেন। তাই তারা শ্রম আদালতে মামলা করেছে। এর সাথে আমার কিছু করার নেই। তার উচিৎ, তার কর্মচারীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া
বণিক বার্তা
বণিক বার্তা প্রত্রিকার প্রথম পাতার খবর :“এবারের মতো মানুষের এত আগ্রহ আগে কখনো দেখিনি”
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের জন্য ও গণতন্ত্রের জন্য ‘যুগান্তকারী’ ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমি অনেকবারই নির্বাচন করেছি। সেই ১৯৮৬ সাল থেকে আটবার আমার নির্বাচন করা হয়ে গেছে। তবে মানুষের এত আগ্রহ আগে আর কখনো দেখিনি। আমি মনে করি বাংলাদেশের জনগণ অনেক আনন্দিত। নির্বাচন যারা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং মতামত দিয়েছেন, এটাও অত্যন্ত উপযোগী। সেজন্য সবাইকে ধন্যবাদ।’
গণভবনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগত বিদেশী সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে গতকাল তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়মা ওয়াজেদ ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যের পাশাপাশি উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন শেখ হাসিনা।