আজকের প্রত্রিকাগুলোর প্রধান প্রধান খবর:
দৈনিক সংগ্রাম:
মূল্যস্ফীতির কষাঘাতে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছে গরিব মানুষ
মানুষের হাতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি টাকা আছে এমন মন্তব্য করে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, বাজারে যে পণ্য ঢুকছে তা অবিক্রীত থাকছে না। কেউ খালি হাতে ফিরছেন না। বাজারে কখনো নজরদারি করে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। বাজারের একটা সাপ্লাই চেন আছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোরভাবে কাজ করছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে দ্রব্যমূল্যে অস্থিরতা : উত্তরণের উপায় শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দৈনিক যুগান্তরের পঁচিশ বছর উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান।
যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) রিসার্চ ফেলো ড. বদরুন্নেসা আহমেদ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম। বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে ছিলেন বিআইডিএসের সাবেক মহাপরিচালক ড. এম কে মুজেরী, ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান ও সিপিডির ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান। অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাজার কখনো নজরদারি করে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। বাজারের একটা সাপ্লাই চেন আছে। এ সাপ্লাই চেনে উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, কৃষি পণ্যগুলো হার্ভেস্টিংয়ের সময় বেশি উৎপাদন হয়। তারপর ৩-৪ মাস উৎপাদন হয় না। এসময় যদি আপনি এটাকে গুদামজাত না করেন, গুদামজাত করা ও মজুতদারি এ দুটির মধ্যে যদি পার্থক্য নির্ধারণ না করতে পারি বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একইভাবে আমদানি পণ্য আমরা যদি সিজনে না কিনে অফ-সিজনে কিনি আমাদের বেশি দাম দিতে হবে।
প্রথম আলো:
এবারও গ্রীষ্মে থাকছে লোডশেডিংয়ের শঙ্কাটাকা ও বৈদেশিক মুদ্রা ডলার—দুটির সংকটেই ভুগছে বিদ্যুৎ খাত।
বিদ্যুতের দাম আরেক দফা বাড়িয়ে টাকার ঘাটতি মেটাতে যাচ্ছে সরকার। এতে দেশীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া বিল পরিশোধে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। তবে ভারতীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিল ও জ্বালানি আমদানির জন্য বৈদেশিক মুদ্রা ডলারের জোগানের অনিশ্চয়তা কাটেনি। এতে গ্রীষ্মে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে উৎপাদন সক্ষমতার কোনো ঘাটতি নেই। তবে ঘাটতি আছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও জ্বালানি তেলের (ডিজেল, ফার্নেস) সরবরাহে। চাহিদামতো জ্বালানি না পাওয়ায় গত দুই বছর গ্রীষ্ম মৌসুমে ব্যাপক লোডশেডিংয়ে ভুগতে হয়েছে ভোক্তাদের। এর মধ্যে গত বছর গ্রীষ্মের আগে টানা তিন দফা দাম বাড়িয়েও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়নি।
এবার গ্রীষ্ম মৌসুমে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। গত বছরের চেয়ে চাহিদা বেড়েছে ১১ শতাংশের মতো। একই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাও বেড়েছে একই হারে। তবে গত বছরের মতোই সক্ষমতার বড় একটি অংশ বসিয়ে রাখতে হতে পারে জ্বালানির অভাবে। গড়ে ২৫ শতাংশ সক্ষমতা বসে ছিল সর্বোচ্চ চাহিদার সময়েও। এর বাইরে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়মিত বন্ধ থাকে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ সক্ষমতা। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু থাকুক বা বন্ধ থাকুক, চুক্তি অনুসারে সব কেন্দ্রকে ভাড়া পরিশোধ করতে হয়; যা ক্যাপাসিটি চার্জ নামে পরিচিত। গত অর্থবছরে পিডিবি ২৬ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ করেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া পরিশোধে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, গত বছর ৪১ শতাংশ সক্ষমতা অলস বসে ছিল।
চুক্তি অনুসারে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। এরপর তা পাইকারি দামে ছয়টি বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে, যারা খুচরা দামে গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়। গত দেড় দশকে পাইকারি পর্যায়ে ১১ বার ও ভোক্তা পর্যায়ে ১৩ বার বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। এখন গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের খুচরা দাম ৮ টাকা ২৫ পয়সা। আর পাইকারি দাম ৬ টাকা ৭০ পয়সা। পিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, বিদ্যুৎ খাত থেকে ভর্তুকি তুলে দিতে হলে বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১২ টাকা ১১ পয়সা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ভোক্তা পর্যায়ে গড়ে বিদ্যুতের দাম হবে প্রায় ১৫ টাকা। একবারে না বাড়িয়ে ধাপে ধাপে দাম বাড়াতে চায় বিদ্যুৎ বিভাগ। মার্চ থেকে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে এক দফা দাম বাড়াতে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের নীতি-গবেষণা সংস্থা পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, সর্বোচ্চ চাহিদা মাথায় রেখেই উৎপাদন পরিকল্পনা করা হয়েছে। জ্বালানির কারণে পরিকল্পনামতো উৎপাদন করা না গেলে লোডশেডিং হতে পারে। ৫০০ থেকে ১০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং ভোক্তা মেনে নেয়। তবে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হলে পরিস্থিতি মোকাবিলা করাটা পিডিবির জন্য কিছুটা স্বস্তির হবে।
ইত্তেফাক:
প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম বাড়ছে ৩০-৭০ পয়সা
দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় নানা পণ্যের বাড়তি দামের মধ্যেই বাড়তে যাচ্ছে বিদ্যুতের ও গ্যাসের দাম। শ্রেণিভেদে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের খুচরা দাম ইউনিট (কিলোওয়াট) প্রতি ৩০ থেকে ৭০ পয়সা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়া বাণিজ্য ও শিল্পসহ অন্য শ্রেণিতেও বাড়বে এ সেবাপণ্যটির দাম। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করবে বিদ্যুৎ বিভাগ। নতুন মূল্যহার ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটা দাম বৃদ্ধি নয়, সমন্বয় করা হচ্ছে। কারণ দেশের বাজারে মার্কিন ডলারের দাম বেড়েছে। ফলে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে। ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই ঘাটতি মেটাতে এবং জ্বালানি দাম যেহেতু ডলারে পরিশোধ করতে হয়, তাই মূল্য সমন্বয় করতে হচ্ছে। এছাড়া সরকার পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দেয়া ভর্তুকি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি মার্চ মাস থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে দেশেও ওঠা-নামা করবে জ্বালানি তেলের দাম।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ প্রসঙ্গে গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, দেশের বাজারে ডলারের দাম বেড়েছে। ফলে আমাদের খরচ বেড়ে গেছে অনেকখানি। এই কারণে এখন আমরাদের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এটা দাম বাড়ানো নয়, ডলার দামের কারণে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, সে জায়গাটা সমন্বয় করা হচ্ছে।
মানবজমিন:
অঘটন ঘটলেই জানা যায় হাসপাতাল অবৈধ!ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হলেই জানা যায় হাসপাতাল বা ক্লিনিক অবৈধ।
বলা হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল হাসপাতালটি। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটার আগেই কেন এমন হাসপাতাল বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করা যাচ্ছে না বা তাদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না এমন প্রশ্ন দীর্ঘ দিনের। সুন্নতে খতনার মতো সাধারণ সার্জারিতে সম্প্রতি দুইু শিশুর করুণ মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য খাতের অরাজকতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। দুটি ঘটনা প্রকাশের পরই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায় দুটি হাসপাতালই অনুমোদনহীনভাবে চলছিল।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন দায়িত্ব নেয়ার পর অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেছেন। মন্ত্রীর এমন নির্দেশ দেয়ার পরও একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে।
অধিদপ্তর সূত্র জানায়, কিছুদিনের চলা অভিযানে সারা দেশে এক হাজার ২৮৫টি অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই প্রশাসনকে তালিকা পাঠাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিকের লাইসেন্স থাকলেও তারা শর্ত মানছে না। অনেকের লাইসেন্সও নবায়ন করা নেই।লাইসেন্স দেয়া হয় এক বছরের জন্য, এক বছরের পর আবার নবায়ন করতে হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক বিভাগের একজন সাবেক পরিচালক জানান, ঢাকা ছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্লিনিকের লাইসেন্স যখন দেয়া হয় তখন ডাক্তার, নার্স, যন্ত্রপাতি ভাড়া করে আনে মালিক কর্তৃপক্ষ। সেটা দেখিয়ে তারা লাইসেন্স নেয়। ফলে অনেক ক্লিনিকই বাস্তবে শর্ত পূরণ করে না।
যুগান্তর:
এক্সপ্রেসওয়ের নামে ফ্লাইওভার
অতিরিক্ত র্যাম্পের কারণে রাজধানীর কাওলা থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কার্যত ফ্লাইওভারে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এক্সপ্রেসওয়ে ওপর বা নিচ যে কোনোভাবেই হতে পারে। তবে এর মূল দর্শন হলো-বাধাহীন দ্রুতবেগে লম্বা দূরত্বে চলাচল। এক্সপ্রেসওয়ে কখনো দুটি শহরকে সংযুক্ত করে। আবার কখনো সংযোগ তৈরি করে আরেক এক্সপ্রেসওয়ে বা হাইওয়ের সঙ্গে। নগর সড়কের সঙ্গে এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ কোনো বিবেচনায় যৌক্তিক নয়।তারা জানান, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের গতিবেগ ৮০ কিলোমিটার। অন্যদিকে ঢাকার নগর সড়কের গতিবেগ ৫ কিলোমিটার, যা বিশ্বের সবচেয়ে ধীরগতির সড়ক। দ্রুতগতির গাড়িগুলো র্যাম্পে এসে আটকে যাবে। যার প্রভাব পড়বে ওপরের সড়কে। তখন এক্সপ্রেসওয়ের গতিবেগ কমে যাবে। ২০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েতে সর্বোচ্চ ১০টি র্যাম্প হতে পারত। কিন্তু তারা এক্সপ্রেসওয়ে দর্শন থেকে সরে গিয়ে টোল আদায়কে প্রাধান্য দেওয়ায় ৩১টি র্যাম্প করেছে, যার মোট দৈর্ঘ্য ২৭ কিলোমিটার। যেটা মূল সড়কের দৈর্ঘ্যরে চেয়েও বেশি। কাওলা থেকে ফার্মগেট অংশের ওঠানামার পথে প্রায় তীব্র যানজট থাকছে। সবগুলো র্যাম্প চালু হলে নগরে নতুন নতুন আরও যানজট স্পট তৈরি হবে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা শহরের যানজটের ভোগান্তি কমাতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় পর গত সেপ্টেম্বরে কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত সাড়ে ১১ কিলোমিটার অংশ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
সমকাল:
দিব্যি আছেন বাচ্চু, ধরার সাহস নেই দুদকের
বেসিক ব্যাংক থেকে আস্ত এক ‘টাকার পাহাড়’ সরিয়েছেন তিনি। টাকার অঙ্কে তাও সাড়ে চার হাজার কোটি! এত টাকা লুটে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর গায়ে এখন টোকাও দেওয়া যাচ্ছে না। ৫৮ মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত করার আট মাস পরও এই আলোচিত আসামিকে গ্রেপ্তারের সাহস পাচ্ছে না খোদ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আইন অনুযায়ী, এ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তুলে বিচারের মুখোমুখি করার দায়িত্ব দুদকের। তবে বাচ্চু দেশে ঘাপটি মেরে থাকলেও স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বশাসিত সংস্থাটি তাঁকে ধরার ব্যাপারে গরজ দেখাচ্ছে না। ফলে এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের ঘূর্ণি বয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটিতে রাখা জনগণের কষ্টার্জিত আমানতের টাকা আত্মসাতের নীলনকশা প্রস্তুতকারী বাচ্চুকে গ্রেপ্তার না করায় দুদকের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে মানুষ।
অথচ এর আগে আরেক আলোচিত আসামি হলমার্ক গ্রুপের এমডি তানভীর আহমেদকে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করেছিল দুদক। তানভীর এখনও কারাবন্দি। এ ছাড়া অতিলাভের টোপ ফেলে সরলমনা মানুষের টাকা হাতানোর অভিযোগের মামলায় ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনকেও অতীতে ছাড় দেয়নি দুদক। আগে বড় বড় রাঘববোয়াল ধরে বিচারের মুখোমুখি করলেও বাচ্চুর ক্ষেত্রে দুদকের কেন এমন বাঁকবদল– সেটার কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছে সমকাল।
কালবেলা:
তৃণমূল ঢেলে সাজাবে আ.লীগ
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে তৃণমূলে তৈরি হওয়া বিভক্তি দূর করতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কেন্দ্র করে বিভক্ত নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে দলীয় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায় দলটি। সেই লক্ষ্যে তৃণমূলে সংগঠন ঢেলে সাজানোর চিন্তা করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীনরা এ নিয়ে পুরোদমে মাঠে নামবেন বলে জানা গেছে।
আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সম্মেলন নিয়মিত হলেও তৃণমূলে চলছে ব্যতিক্রম। অনেক জেলা ও উপজেলা শাখার সম্মেলনই সময়মতো অনুষ্ঠিত হয় না। আবার সম্মেলন হলেও সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের দ্বন্দ্বে বছর পেরিয়ে গেলেও অনেক শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয় না অনেক জেলায়। এ নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে পুঞ্জীভূত হচ্ছে ক্ষোভ।জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে সারা দেশে জেলা-উপজেলা শাখার সম্মেলন ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা বন্ধ রাখে ক্ষমতাসীন দলটি। দ্বাদশ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আবারও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চারে উদ্যোগ নিয়েছে দেশের প্রাচীনতম দলটি।