দৈনিক সংগ্রাম
দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা প্রধান খবর : ”নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ২০ প্রার্থী
নানা নাটকীয়তার পর এবারের নির্বাচনে আসার ঘোষণা দিলেও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে নিয়ে যেন নাটকীয়তা কোনোভাবেই শেষ হচ্ছে না। ভোটের মাত্র কয়েক দিন আগে দলটির ক্ষোভ ও হতাশার চিত্র সামনে আসছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে ভোটাররা সংশয়ে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, অতীতে নির্বাচন ভালো হয়নি, এবারে সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না পরিবেশ কেমন থাকে। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব।
গতকাল বুধবার দুপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা রংপুর-৩ আসনের বুড়িরহাট রোডে গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের জিএম কাদের এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও স্টাফদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।
শেষ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি নির্বাচনে থাকবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন, আমরা শেষ পর্যন্ত থাকার চেষ্টা করছি। আমরা নির্বাচন কমিশনের সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকারের প্রেক্ষিতে এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। তবে ইতোমধ্যে কিছু কিছু জায়গায় এর ব্যত্যয় ঘটছে।
তিনি বলেন, আমাদের ভোটাররা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয়ে আছেন। তাদের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। ব্যতিক্রম কিছু ঘটলে পরবর্তীতে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব।
মানবজমিন
মানবজমিন পত্রিকা প্রধান খবর :“শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে নানা শঙ্কা”
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র দুই দিন। ভোট যত ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী মাঠ তত উত্তপ্ত হচ্ছে। বাড়ছে সহিংসতা। সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। বিভিন্ন স্থানে মারধর করা হচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের। আক্রান্ত হচ্ছেন প্রার্থীরাও। এ ছাড়াও প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে আনছেন নানা অভিযোগ। এসব অভিযোগ জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। বিভিন্ন আসনে প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তারা নানা শঙ্কাও প্রকাশ করছেন।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা প্রধান খবর:“ভোটের হুমকি ৫২ আসনে”
অস্ত্রবাজদের তৎপরতায় দুই পক্ষই মুখোমুখি। ইসিতে অভিযোগের স্তূপ, ৭ জানুয়ারি সংঘাতের শঙ্কা, কোথাও কোথাও আলোচনায় প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫২ আসনে হুমকি রয়েছে। এসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারী-সন্ত্রাসীদের জড়ো করার অভিযোগ তুলছেন। তারা শুধু কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন, লিখিতভাবেও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করছেন। ইসিতে অভিযোগের স্তূপ জমা পড়ছে। অভিযোগে তারা ৭ জানুয়ারি ভোটের দিন বড় ধরনের সংঘাত-সহিংসতার শঙ্কা করেছেন। কোনো কোনো এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীরা স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলছেন। সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী এসপি ও রূপগঞ্জের ওসির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। এরা থাকলে ৭ জানুয়ারি ভোট সুষ্ঠু হবে না বলে তাদের অভিযোগ। জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আর মাত্র দুই দিন বাকি। নির্বাচনে প্রচার ঘিরে সংঘাত-সহিংসতা, ক্যাম্প ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা থামছেই না। সর্বশেষ বরিশাল-২ আসনের বানারীপাড়ায় নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি হামলায় অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে। এ এলাকায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাইয়াজুল হক রাজুর অভিযোগ, ‘বাইশারী গ্রামে তাঁর সমর্থকদের একটি মিছিলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সমর্থকরা হামলা ও গুলি চালান।’ স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, প্রশাসনের লোকজনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। প্রশাসনের যে পরিমাণ তৎপরতা দেখানো দরকার ছিল, তা দেখানো হয়নি। যে কারণে সংঘাত বেড়েই চলেছে। কুমিল্লার দেবিদ্বার, চৌদ্দগ্রাম, দাউদকান্দি, সদর, মুরাদনগর আসনে উত্তজনা বিরাজ করছে। ভোটের দিন রক্তক্ষয়ী সংঘাত-সহিংসতার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসব আসনে সেনাবাহিনী মোতায়েন চান প্রার্থীরা।
কালের কন্ঠ
কালের কন্ঠ পত্রিকা প্রধান খবর : “ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে নানা কৌশল”
সরকারবিরোধী দলগুলোর নির্বাচন বর্জনের কর্মসূচির মধ্যে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নানা কৌশল করছে। সারা দেশে প্রশাসনের উদ্যোগে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম চলছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, কয়েক বছর ধরে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ায় এসব নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।তাই ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের হার বাড়াতে নানা কৌশল নেওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টিসহ কিছু দল নির্বাচনে থাকলেও তারা তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে দলের ডামি বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই বেশির ভাগ আসনে আওয়ামী লীগ বা মিত্র ও শরিক দলের প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকছেন।
নয়াদিগন্ত
নয়াদিগন্ত পত্রিকা প্রধান খবর :“স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আ’লীগ”ধরাশায়ী হতে পারেন হেভিওয়েটদের কেউ কেউ স্বস্তি নেই জোটে।
কয়েক দিন বাদেই আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি ও তার মিত্ররা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় নির্বাচনী মাঠ অনেকটা নিরুত্তাপ রয়েছে। উত্তাপহীন এ নির্বাচনে দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের শক্ত অবস্থানে থাকা আসনগুলোতে সংঘাত-সংঘর্ষ লেগেই আছে। বিএনপিবিহীন নির্বাচনেও সুষ্ঠু ভোট হওয়ার ক্ষেত্রে ওইসব আসনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা। আবার নির্বাচনী মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা ও শক্ত অবস্থান থাকার কারণে ধরাশায়ী হতে পারেন হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীদের কেউ কেউ। আওয়ামী লীগের ভাগাভাগির বেশির ভাগ আসনেও দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জোরালোভাবে কাজ করায় ক্ষমতাসীন জোট-মহাজোটের প্রার্থীরা বেশ অস্বস্তিতে রয়েছেন। তারাও পরাজয়ের শঙ্কায় চিন্তিত বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
যুগান্তর
যুগান্তর পত্রিকা প্রধান খবর :“সংঘাতমুক্ত ভোটে নজর”নির্বাচনের দিন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে আ.লীগ,দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ দলের তৃণমূল নেতাদের নির্দেশনা * ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো সংঘাত-সহিংসতা দেখতে চায় না আওয়ামী লীগ। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধীদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে দলটি। একই সঙ্গে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যেন ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়েও কঠোর অবস্থানে ক্ষমতাসীনরা। ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে কেউ ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেবে দল। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ তৃণমূল নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী নেতারাও বলছেন-তারা যে কোনো মূল্যে অবাধ-সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান। ফলে নির্বাচন ঘিরে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের মিত্রদের কর্মকাণ্ডে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
বনিক বার্তা
বনিক বার্তা পত্রিকা প্রধান খবর:“দেশে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে চাহিদার ৬২ শতাংশ”চট্টগ্রামে তীব্র হয়েছে গ্যাস সংকট এখনো বন্ধ একটি এলএনজি টার্মিনাল।
দেশজুড়ে আরো তীব্রতা পেয়েছে গ্যাস সংকট। মোট চাহিদার ৬২ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে জ্বালানি বিভাগ। এতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন। অন্যদিকে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না পেয়ে উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেকও ব্যবহার করতে পারছে না অধিকাংশ শিল্প-কারখানা। বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতিক মাসগুলোয় শিল্প খাতের উদ্যোক্তা সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বেশ কয়েক দফা চিঠি দেয়া হয়েছে জ্বালানি বিভাগে। সর্বশেষ গতকালও চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাস সংকটের তীব্রতা নিয়ে দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (সিসিসিআই) পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বরাবর একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। সংকট তীব্রতা পেয়েছে আবাসিক ও পরিবহন খাতেও। দিনের সিংহভাগ সময় চুলা জ্বলছে না রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের অনেক আবাসিক এলাকায়। দুর্ভোগ বাড়ায় গ্রাহকরা অনেকেই ঝুঁকছেন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দিকে। গ্যাসের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের জট বাড়ছে সিএনজি স্টেশনের বাইরে।
সমকাল
সমকাল পত্রিকা প্রধান খবর: “ভোট প্রতিহত নয়, বর্জন করবে বিএনপি”ভোটের দিন ৭ জানুয়ারি কী করবে আন্দোলনে থাকা বিএনপি? এ নিয়ে দেশজুড়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। নির্বাচন প্রতিহত করার মতো কোনো শক্তি দেখাবে, নাকি শান্তিপূর্ণ ভোট বর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে তারা? অবশ্য দলের নীতিনির্ধারক মহল জানিয়েছে, নির্বাচন ‘ঠেকাও’ আন্দোলনের বদলে ভোট বর্জনকে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। ভোটের আগের দিন শনিবার থেকে টানা ৪৮ ঘণ্টা দেশজুড়ে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে ‘একতরফা’ নির্বাচনের প্রতি ‘অনাস্থা’ জানানোর সিদ্ধান্ত রয়েছে দলটির। নাশকতা আর সহিংসতা এড়িয়ে এ কর্মসূচিও যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হয়, সেদিকে সতর্ক থাকবে বিরোধী দলটি।
সূত্র জানায়, দেশি-বিদেশিদের কাছে নির্বাচনকে ‘ভোটারহীন’ ও ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ করাকেই এ মুহূর্তে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি। এমনকি ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর ভোটকে নিজ দলের ডামি প্রার্থী ও শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির ‘হাস্যকর’ নির্বাচন আখ্যায়িত করে বাতিলের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে তারা। দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে সভা-সমাবেশের মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাবে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। একই সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে আন্দোলনের ধরন চূড়ান্ত করবে তারা।
যায়যায়দিন
যায়যায়দিন পত্রিকা প্রধান খবর:“ভোটের মাঠে সশস্ত্র বাহিনী”১০ জানুয়ারি পর্যন্ত বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে তারা মাঠে থাকবেন।দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা দিতে ভোটগ্রহণের চার দিন আগে মাঠে নেমেছেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার সকাল ৮টা থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের জিয়া কলোনি ও সৈনিক ক্লাব থেকে সেনা সদস্যরা মাঠে নামেন; মহাখালী, নাবিস্কো ও তিব্বত হয়ে তাদের গাড়িবহর ছুটতে দেখা যায়। সেনাবাহিনীর গাড়ি দেখা যায় মালিবাগ ও খিলগাঁও এলাকাতেও। ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে তারা মাঠে থাকবেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার ‘নোডাল পয়েন্ট’ ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাহিনীগুলো এলাকাভিত্তিক মোতায়েন সম্পন্ন করবে।
কালবেলা
কালবেলা পত্রিকা প্রধান খবর:“আলোচনায় বিরোধী দল”সংবিধানে নির্দেশনা নেই
বিএনপিসহ বেশ কিছু দল অংশগ্রহণ না করায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সামগ্রিক ফলে তেমন কোনো অনিশ্চয়তা নেই। সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে—বর্তমান পরিস্থিতি তা-ই বলে দিচ্ছে এমন প্রেক্ষাপটে। দুটি বিষয়ে কৌতূহলী হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ—আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত কত আসনে জয়ী হবে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়ে কারা হতে যাচ্ছে সংসদের প্রধান বিরোধী দল। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। পাশাপাশি বর্তমান সংসদ সদস্যদের অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ায় ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে অনেক বিশ্লেষকের অভিমত।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংগঠন ও জনসমর্থনের দিক থেকে দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি। সতেরো বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি নানা কারণে দুর্বল হলেও তারা ছাড়া দেশে এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো আর কোনো রাজনৈতিক শক্তি নেই। এ কারণেই নিবন্ধিত ৪৪টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৭টি অংশ নেওয়ার পরও বিএনপি বাইরে থাকায় এবারের নির্বাচনে রাষ্ট্রক্ষমতা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। বিশ্লেষকরা বলছেন, মনোনয়নপত্র জমার নির্ধারিত দিন শেষেই দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের আরেক মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা নিশ্চিত হয়ে গেছে। দ্বাদশ সংসদে বিরোধী দল কারা হবে—এ নিয়েই এখন আগ্রহ সবার। বিদেশিদের মধ্যেও এ নিয়ে কৌতূহল রয়েছে। সম্প্রতি আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষক দলের সদস্যরা আগামী সংসদে বিরোধী দল কারা হচ্ছে—তা জানতে চান।