মানবজমিন
মানবজমিন পত্রিকার প্রধান খবর,“ভোটের আগে টানা কর্মসূচিতে যাচ্ছে বিএনপি”
৭ই জানুয়ারি নির্বাচন সামনে রেখে আগামী সপ্তাহে টানা কর্মসূচিতে যাচ্ছে বিএনপি। একের পর এক কর্মসূচি দিয়ে ভোটবিরোধী অবস্থানে থাকবে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত টানা কর্মসূচিতে যাচ্ছে তারা। অসহযোগের পাশাপাশি হরতাল-অবরোধ দেয়ার চিন্তা করছে দলটির হাইকমান্ড।
ইতিমধ্যে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ১লা জানুয়ারি থেকে ৭ই জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। এ ছাড়া সরকারি ও আধা-সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে ‘জনতার মঞ্চের’ আদলে আন্দোলনের নতুন মঞ্চ গড়ার চেষ্টা চলছে। সেলক্ষ্যে কাজ করছে জাতীয়তাবাদী সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নগুলো।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রধান খবর : দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ ১১ অঙ্গীকার
নৌকায় ভোট দিন শান্তি,, ও সমৃদ্ধি দেব, ইশতেহার ঘোষণায় শেখ হাসিনা
দ্রব্যমূল্য সব মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা, কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিসহ ১১টি বিষয় প্রাধান্য দিয়ে গতকাল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।
প্রথম আলো
প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, সংঘাত, আচরণবিধি লঙ্ঘন বন্ধ হচ্ছে না।
● ৩৭ শিক্ষককে নিয়ে শাজাহান খানের বাসায় বৈঠক।
● সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের জনসভায় যুগ্ম সচিব।
● ২৫৬টি কারণ দর্শানোর নোটিশ।
● ১০ দিনে ৮৩টি জায়গায় সংঘাত-সহিংসতা।প্রার্থীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। জরিমানাও হচ্ছে। তবু চলছে সংঘাত, সহিংসতা ও আচরণবিধি লঙ্ঘন।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাত ও গতকাল বুধবার পাঁচটি জায়গায় প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন এবং তিনটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর প্রচার শুরুর পর থেকে ১০ দিনে ৮৩টি জায়গায় সংঘাত-সহিংসতার ঘটনা ঘটল। আর তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত অনুসন্ধান কমিটিগুলো আচরণবিধি লঙ্ঘনের মোট ২৫৬টি অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রার্থীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।
নয়াদিগন্ত
নয়াদিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘মাথাপিছু গড় ঋণ ১৭ হাজার ৩৬৬ টাকা’
প্রতিবেদনে দেখা যায় , উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ ঋণ করে সংসার চালাচ্ছে।
বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে একটি পরিবারের গড় ঋণ ৭৩ হাজার ৯৮০ টাকা, মাথাপিছু গড় ঋণ ১৭ হাজার ৩৬৬ টাকা। ঋণগ্রস্ত পরিবার হিসেবে এই অঙ্ক আরো অনেক বেশি।২০১৬ সালের একই জরিপে এই ঋণের পরিমাণ ছিল ৩৭ হাজার ২৪৩ টাকা। মাথাপিছু ঋণ ছিল ৯ হাজার ১৭৩ টাকা। অর্থাৎ ছয় বছরের ব্যবধানে প্রতিটি পরিবারের ঋণ বেড়েছে ১১১ দশমিক ১০ শতাংশ।
ঋণগ্রস্ত পরিবারের গড়ে ঋণ জাতীয় পরিবারের ঋণের প্রায় আড়াই গুণ। ঋণগ্রস্ত পরিবারের গড় ঋণ এক লাখ ৮৭ হাজার ৩০৮ টাকা।
দৈনিক সংগ্রাম
দৈনিক সংগ্রাম প্রধান খবর,“আদালত বর্জনের ঘোষণা” জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামে সংবাদ সম্মেলন
বিএনপি ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামী বছরের ১ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ, হাইকোর্ট বিভাগ, সমস্ত জেলা আদালত, সেশন আদালত, মুখ্য মহানগর হাকিমদের আদালত, মুখ্য জুডিশিয়াল আদালতসহ সমস্ত আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।
সমকাল
সমকাল পত্রিকার প্রধান খবর“সংকটেও মন্ত্রী-এমপির সম্পদ বৃদ্ধিতে প্রশ্ন”দেশের সার্বিক অর্থনীতির নাজুক অবস্থা। করোনা মহামারির পর ইউক্রেন যুদ্ধের অভিঘাতে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি কমেছে। শুধু সাধারণ মানুষ নন, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদেরও হিমশিম দশা। রেকর্ড মূল্যস্ফীতি ও ডলার সংকটে বেশি বিপাকে ফেলেছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। ব্যয় সংকোচন নীতিতে চলছে সরকার। অর্থনীতির এমন কঠিন সময়েও এমপি-মন্ত্রী অনেকের আয় ও সম্পদ বেড়েছে কয়েক গুণ। সংকটময় সময়ে রাজনৈতিক নেতারা কীভাবে আরও ধনী হলেন– এই প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনীতি এখন অর্থনৈতিক লেনদেনে বিশেষ সুবিধা আদায়ের হাতিয়ার। হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলেও শাস্তির কথা আইনে স্পষ্ট নেই। এরই সুযোগ নিয়েছেন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীরাও।
কালেরকন্ঠ
কালেরকন্ঠ পত্রিকার প্রধান খবর“টি-টোয়েন্টিতেও অজেয় আকাঙ্ক্ষা পূরণ”নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের দুই ওভার যেতে না যেতেই টেলিভিশন স্ক্রিনে বারবার একটি পরিসংখ্যান ভাসতে থাকল। যেখানে দেখাচ্ছিল টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। শরিফুল ইসলাম ও শেখ মেহেদী হাসান মিলে পাওয়ার প্লেতেই নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনের যে হাল করেছিলেন, তাতে দর্শকদের এর সঙ্গে মানানসই তথ্য জানার কৌতূহল মেটাচ্ছিল সম্প্রচারকারী সংস্থা। যদিও বাংলাদেশ গতকাল নিউজিল্যান্ডকে তাদের সর্বনিম্ন রানে আটকাতে পারেনি বটে, তবে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাকই করেছে।
যুগান্তর
যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘দেশে দারিদ্র্য কম বৈষম্য বেশি’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে ধারাবাহিকভাবে দারিদ্র্যের হার কমলেও বেড়েছে আয়বৈষম্য। সেই সঙ্গে গ্রামে বেড়েছে মানুষের খরচ।
পাশাপাশি বেড়ে গেছে পরিবারভিত্তিক ঋণ গ্রহণও। এছাড়া ঋণ করে সংসার চালায় দেশের ৩৭ শতাংশ মানুষ।
একটি পরিবারের ঋণ ৭৩ হাজার ৯৮০ এবং মাথাপিছু ১৭ হাজার ৩৬৬ টাকা। গ্রামের তুলনায় শহরের পরিবারগুলোর ঋণ ২১০ শতাংশ বেশি।
এছাড়া শহরের চেয়ে গ্রামে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাও বেশি। পাশাপাশি ভাত খাওয়া কমেছে, বেড়েছে অন্যান্য খাদ্য গ্রহণ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)২০২২ সালের হিসাবে এসব তথ্য দিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের সার্বিক দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক সাত শতাংশে।
দেশে ২০১৬ সালের তুলনায় ২০২২ সালে দারিদ্র্যের হার সাত দশমিক সাত শতাংশ কমেছে। অতিদারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশে।
এছাড়া দেশের সর্বোচ্চ ধনী ৫ শতাংশ মানুষের আয় মোট আয়ের ৩০ দশমিক চার শতাংশ।
অপরদিকে সর্বপাঁচ শতাংশ দরিদ্র মানুষের আয় মোট আয়ের শূন্য দশমিক ৩৭ শতাংশ। এখানে স্পষ্ট হয়েছে যে, ধনী ও গরিবদের মধ্যে ব্যাপক বৈষম্য বিরাজ করছে।
ধনীদের আয় বাড়ছে উচ্চহারে, আর গরিবদের বাড়ছে ধীরে।