কালের কন্ঠ
কালের কন্ঠ প্রত্রিকার প্রধান খবর :বিদায়ি বছরে অর্থনৈতিক সংকটের আঘাত লেগেছে সর্বত্র।
গৃহিণীর রান্নার উপকরণের যেমন টান পড়েছে, তেমনই শিল্প-কারখানাগুলোতে মেলেনি প্রয়োজনমতো কাঁচামাল বা জ্বালানি। সব পর্যায়েই ছিল ঘাটতি। ঘাটতি মেটাতে হিমশিম খেয়েছে প্রায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিদায়ি বছরজুড়ে পরিবারের নিত্যপণ্যের ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াতসহ সব ব্যয়ের চাপ। অথচ বাড়েনি আয়, উল্টো ঝুঁকি তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থানে। বিনিয়োগ না বাড়ায় কর্মসংস্থান অনেক ক্ষেত্রে সংকুচিতও হয়েছে।অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সহিংসতার মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে ২০২৩ সাল। বছরজুড়ে মূল্যস্ফীতির কষ্টের পাশাপাশি মেট্রো রেল বা কর্ণফুলী টানেলের মতো বড় অবকাঠামোর কারণে যোগাযোগে বিশাল সুবিধাও মিলেছে। তবে জীবিকার সংগ্রামে লিপ্ত বিপুলসংখ্যক নিম্ন আয়ের মানুষ দ্রব্যমূল্যের কষ্ট ভুলতে পারেনি।
নিত্যপণ্যের বাজার দৃশ্যত ছিল নিয়ন্ত্রণহীন পাগলা ঘোড়া।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রত্রিকার প্রধান খবর:“বছর শেষে হতাশ ব্যবসায়ীরা
ডলার সংকটে এলসি জটিলতা, পণ্যের দাম বাড়ায় বিক্রি নেমেছে অর্ধেকে”
মহামারি করোনার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট ডলার সংকট দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখতে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে। ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নে পণ্যের দাম বাড়ায় বিক্রি নেমেছে অর্ধেকে। সব মিলিয়ে ২০২২ সাল ভালো যায়নি ব্যবসায়ীদের। উদ্যোক্তারা বলছেন, ডলার সংকট যত তীব্র হয়েছে, কাঁচামাল আমদানিতে ঋণপত্র খোলার হার তত কমেছে। ফলে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে। এ সংকট কাটাতে হলে প্রবাসী ও রপ্তানি আয় বাড়াতে হবে। হুন্ডি ব্যবসা ও অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হলে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন নয় বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।
যুগান্তর
যুগান্তর প্রত্রিকার প্রধান খবর : “নির্বাচনের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের সমুচিত জবাব দেব”
শনিবার নিজ নির্বাচনি এলাকা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার সরকারি শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দৈনিক সংগ্রাম
সংগ্রাম প্রত্রিকার প্রধান খবর :“কারা হেফাজতে বিএনপি নেতাদের মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে”
ফিরে দেখা ….২০২৩
নাছির উদ্দিন শোয়েব: কারা হেফাজতে বিএনপি নেতাদের মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতার অভিযোগে শুরু হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক ধরপাকড়। একদিকে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগে বিভিন্ন থানায় মামলা দেয়া হচ্ছে, অন্যদিকে পুরানো মামলারও বিচার দ্রুত শেষ করা হচ্ছে। বিএনপির অভিযোগ এসব মামলায় ইতোমধ্যে তাদের ২০ হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দলটির মহাসচিবসহ কয়েকডজন শীর্ষ নেতাও। কারাবন্দী বিএনপি নেতা-কর্মীরা সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করে আসছিলেন অনেকের স্বজন। এছাড়াও বন্দীরা কারাগারে মানবিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে।
এরই মধ্যে ২৮ অক্টোবর থেকে গত দুই মাসে কারাগারে বিএনপির অন্তত সাত নেতা-কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গত বৃস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে কাশিমপুর কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা যান বিএনপি নেতা মো. ফজলুর রহমান কাজল। তিনি রাজধানীর মুগদা থানা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। কারাগারে মৃত্যু হওয়া বিএনপি নেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-মো. ফজলুর রহমান কাজল, আসাদুজ্জামান হিরা খান, মতিবুল ম-ল, মনিরুল ইসলাম ও গোলাপুর রহমান।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) নভেম্বরের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, গত অক্টোবর মাসে কারা হেফাজতে মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে আটজন হাজতি আর বাকিরা কয়েদি। সেপ্টেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ১০ জন। এছাড়াও অক্টোবরে পুলিশি হেফাজতে দুইজন এবং পুলিশের ধাওয়া খেয়ে আরও একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এমএসএফের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কারা হেফাজতে মারা যাওয়া ১৬ জনের মধ্যে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সাতজন, কাশ
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে চারজন, ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে একজন, রাজবাড়ি কারগারে দুইজন, কুমিল্লা কারাগারে একজন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে একজনের মৃত্যু হয়। সব কারাবন্দীকে বাইরের হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এমএসএফ আরো জানায়, কারা হেফাজতে মৃত্যু ছাড়াও নোয়াখালী জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্তকে অপর এক কয়েদি কলম দিয়ে দুই চোখে আঘাত করে। কক্সবাজারের সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা এক নারী হাজতি পালিয়ে যান। অপর একটি ঘটনায় বগুড়া জেলা কারাগারের একটি কালভার্টের নিচের ড্রেন থেকে এক কারারক্ষীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
প্রথত আলো
প্রথত আলো প্রত্রিকার প্রধান খবর: “হার্টের স্টেন্টের দাম নিয়ে বিশৃঙ্খলা”হৃদ্রোগের জরুরি চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্টেন্ট সরকার নির্ধারিত দামে সব রোগী পাচ্ছেন না। দাম নিয়ে বাজারে একধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। বেশি দামেই স্টেন্ট কিনতে হচ্ছে রোগীদের।
আজ রোববার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা ডেকেছে। অধিদপ্তর সূত্র বলেছে, নতুন করে দাম নির্ধারণের বিষয়ে সভায় আলোচনা হতে পারে।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর যৌক্তিকভাবে স্টেন্টের দাম নির্ধারণ করেনি।বছরে স্টেন্ট ব্যবহার হয়৩০ থেকে ৩৫ হাজার
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, দিনাজপুর, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহ, বগুড়া, কুমিল্লায় স্টেন্ট লাগানোর ব্যবস্থা আছে।
মানবজমিন
মানবজমিন প্রত্রিকার প্রধান খবর: “যেসব আসনে ভোট নিয়ে কৌতূহল”প্রধান বিরোধী জোটকে বাইরে রেখে এবার জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তাদের প্রায় সবাই আওয়ামী লীগেরই নেতা। এর বাইরে জাতীয় পার্টি সমঝোতায় ২৬ আসনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ছাড় পেয়েছে। ছাড় পেয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও জেপির ৬ প্রার্থী। নির্বাচনের আগে কিংস পার্টি বলে পরিচিত তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম সারা দেশে প্রার্থী দিলেও তাদের দু’একজন আছেন আলোচনায়। এ ছাড়া নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার শেষ মুহূর্তে রাতারাতি কারামুক্ত হয়ে আলোচনায় আসা সাবেক বিএনপি নেতা শাহজাহান ওমর নৌকার প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আসেন। দীর্ঘদিন বিএনপি’র সঙ্গে সরকারবিরোধী আন্দোলন করে আসা কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। ভোটের মাঠেও এখন তিনি আলোচিত। এ ছাড়া বিএনপি’র বহিষ্কৃত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান এবং শাহ আবু জাফরকে নিয়েও আছে নানা আলোচনা।
কালবেলা
কালবেলা প্রত্রিকার প্রধান খবর :“কাগুজে প্রতিষ্ঠানে ৬৯০ কোটি টাকার ঋণ আইএফআইসির”ঝুঁকিপূর্ণ বলছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
লিয়েন বা জামানত হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জমা থাকা শেয়ারের বিপরীতে চার কোম্পানিকে ৬৯০ কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংক। কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা পর্যালোচনা না করেই দেওয়া হয়েছে এসব ঋণ। শুধু তা-ই নয়, হিসাব খোলার মাত্র ২০ থেকে ২৭ দিনের মধ্যেই অনুমোদন হয়েছে ঋণ। এরপর চার মাসের ব্যবধানেই ঋণের সীমা বাড়িয়ে করা হয়েছে দ্বিগুণ। এ অবস্থায় পুরো বিষয়টিকে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর্থিক পর্যালোচনা ছাড়াই এ ধরনের ঋণ অনুমোদন করায় আইএফআইসি ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০২২ সালের জুন থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে আইএফআইসি ব্যাংকের হিসাব খোলে ব্রাইটস্টার বিজনেস, অ্যালট্রন ট্রেডিং, সানস্টার বিজনেস এবং ফারইস্ট বিজনেস নামে চারটি প্রতিষ্ঠান। হিসাব খোলার মাত্র ২০ থেকে ২৭ দিনের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৩৬৫ কোটি টাকার ওভারড্রাফট (ওডি) ঋণ অনুমোদন করে আইএফআইসি ব্যাংক। আর তার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে এ অর্থ তুলে নেয় প্রতিষ্ঠানগুলো। অর্থ তুলে নেওয়ার ৪ মাসের মাথায় এসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণের সীমা দ্বিগুণ করে ৬৯০ কোটি টাকা করে আইএফআইসি ব্যাংক