আজকের প্রত্রিকা গুলোর প্রধান প্রধান শিরোনাম:
সমকাল:
অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল। বিরোধী জোট তো নয়ই; স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের (এমপি) আলাদা সংসদীয় জোটও হচ্ছে না। এমনকি সংসদ কক্ষে আওয়ামী লীগের হুইপিংয়ের অধীনেই থাকবেন তারা। সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য স্বতন্ত্র এমপিদের কোটার মনোনয়নও দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন একাধিক স্বতন্ত্র এমপি। বৈঠকে স্বতন্ত্র এমপিদের আওয়ামী লীগে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ডান হাত ও বাঁ হাত দুটোই আমার। স্বতন্ত্ররা আমার দলেরই। আপনারা আমার; আপনারা দলেই আছেন। ’
মানবজমিন:
“২১ দিনে রিজার্ভ কমেছে পৌনে দুই বিলিয়ন ডলার”
দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ডলারের সংকট। সংকট উত্তরণে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ছে না। অন্যদিকে আমদানির চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন ডলার বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ কমছেই। ৩রা জানুয়ারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। সংকটের কারণে ডলার বিক্রি অব্যাহত থাকায় ২১ দিনে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫২৩ কোটি ডলারে। অর্থাৎ এই ২১ দিনে রিজার্ভ থেকে ১৭৬ কোটি ৩০ ডলার কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ প্রতিবেদন থেকে রিজার্ভের এ চিত্র পাওয়া গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪শে জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রস রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৩৩ কোটি (২৫ দশমিক ২৩ বিলিয়ন) ডলারে। আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী বিপিএম-৬ মেথডের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবের সঙ্গে ৫২১ কোটি (৫.২১ বিলিয়ন) ডলারের পার্থক্য রয়েছে। অর্থাৎ বিপিএম-৬ ম্যানুয়াল অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ এখন ২ হাজার ২ কোটি ডলার বা ২০ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার।
প্রথম আলো:
“বিদেশি ঋণ শোধে চাপ আরও বাড়ছে
ডলার–সংকট
বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যয় বড় অঙ্কে বাড়ছে। সাত বছর পর
শোধ করতে হবে দ্বিগুণ হারে।
চলমান ডলার-সংকটের মধ্যে বিদেশি ঋণ পরিশোধে চাপ বাড়ছে। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং চীন, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে নেওয়া কঠিন শর্তের অনেক ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হয়েছে। এ কারণে দ্রুত বাড়ছে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ, যা আগামী বছরগুলোতে আরও বাড়বে।
সরকার ১০ বছর আগে বছরে যে পরিমাণ বিদেশি ঋণ ও ঋণের সুদ পরিশোধ করত, এখন পরিশোধ করতে হয়েছে তার দ্বিগুণের বেশি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা
নয়াদিগন্ত:
“নতুন সরকার গঠন করেও স্বস্তিতে নেই আ’লীগ”
মাঠের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিবিহীন নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন করেও স্বস্তিতে নেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। প্রথমত, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কোনোভাবেই জনসাধারণের নাগালে আসছে না। সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় পণ্যের দাম হুটহাট করে বেড়ে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন ঠেকানোর জন্য শক্ত কোনো কর্মসূচি নিয়ে ৭ জানুয়ারি ভোটের দিন রাজপথে না থাকলেও নতুন সরকার গঠনের দুই সপ্তাহ না পেরোতেই ফের রাজপথে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিএনপি ও তার মিত্ররা। তাদের দাবি, নতুন নির্বাচন দিয়ে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতনের হুমকিও দিয়ে রেখেছে বিএনপি ও তার মিত্ররা। এরমাধ্যমে মূলত বিএনপি রাজপথে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করে।
দৈনিক সংগ্রাম:
:দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গেছে। এতে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও তীব্র আকার ধারণ করেছে শৈত্যপ্রবাহ। রোববার দেশের ৪৮ জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। তবে আগামী কয়েকদিন রাতের তাপমাত্রা বেড়ে শীত ক্রমে কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দেশের উত্তরাঞ্চলে তীব্র শীত বিরাজ করছে। শীতে সেখানে জনজীবন অনেকটাই স্থবির। শীতের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ফসল উৎপাদনে। বাড়ছে রোগ ব্যাধিও। রোববার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। এটিই চলতি মৌসুমের সবচেয়ে কম তাপমাত্রা। একদিন আগে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং সৈয়দপুরে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
যুপান্তর:
“গোলাগুলির শব্দে সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক”
অস্থিতিশীলতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পদক্ষেপ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা * রাখাইনে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চীনের বিশেষ উদ্যোগ
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য উত্তপ্ত। সামরিক জান্তার ক্ষমতা দখলের তৃতীয় বার্ষিকী সামনে রেখে সশস্ত্রগোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে সেনাবাহিনীর তুমুল যুদ্ধ চলছে। অসমর্থিত সূত্রের খবর, যুদ্ধে চলতি সপ্তাহে ১২ থেকে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে চীন মধ্যস্থতা করে রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধবিরতির বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এদিকে রাখাইন রাজ্যে অস্থিতিশীলতার কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পদক্ষেপ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধের ভয়াবহতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ। রোববার সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম নাজমুল হাসান। মিয়ানমারে গোলাগুলির শব্দে সীমান্তে বাংলাদেশ অংশে জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
দেশ রুপান্তর:
নির্বাচনের পর জাতীয় পার্টিতে শুরু হয়েছিল অভিযোগ-বিক্ষোভের পালা। এর ধারাবাহিকতায় বহিষ্কার ও স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘটনাও দেখা গেছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার আবার শীর্ষ দুই নেতাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ। বহিষ্কৃত ও পদত্যাগকারীদের সঙ্গে আলোচনার পর গতকাল রবিবার এ ঘোষণা এলো।
দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে রওশন এরশাদ নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন। আর মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুকে অব্যাহতি দিয়ে দল থেকে বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশীদকে মহাসচিবের দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি। সম্মেলনের আগপর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।
কালবেলা:
২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ঢাকায় ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন করেছিল দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি। গঠনতান্ত্রিকভাবে তিন বছর পরপর এই সম্মেলন হওয়ার কথা। তবে সাত বছর পার হলেও সপ্তম জাতীয় সম্মেলন হয়নি। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের অনেক নেতা মারা গেছেন। নানা কারণে বাদ পড়েছেন কেউ কেউ। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির ১৩০টির মতো পদ শূন্য হয়ে আছে। শুধু তা-ই নয়, সাত বছরে কেন্দ্রীয় কমিটির সভা হয়েছে মাত্র একবার। ২০১৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ওই সভার পর কেটে গেছে পাঁচ বছর।
শুধু কেন্দ্র নয়, জেলা-উপজেলাসহ সব স্তরেই স্থবির হয়ে আছে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড। সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের আগে সংগঠন গোছানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরিপূর্ণভাবে তা করতে পারেনি দলটি। ৮২টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে অর্ধশতাধিক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। অধিকাংশ জেলায় আংশিক আহ্বায়ক কমিটি হলেও দীর্ঘদিনেও সম্মেলন ও পূর্ণাঙ্গ হয়নি। কমিটি গঠনে স্থানীয় প্রভাবশালীদের তৎপরতা কিংবা কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের কারণে প্রবল হয়েছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিং।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
:“লোটাস কামালে অর্থের সর্বনাশ”
গত পাঁচ বছরে দেশের অর্থনীতিকে ভয়াবহ সংকটে ফেলে গেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল)। এ সময়ে তিনি অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা তো দূরে থাকুক, মন্ত্রণালয়ে পর্যন্ত যাননি। সংকট সমাধানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় বৈঠকও করেননি। অর্থনীতির সংকটগুলোকে চিহ্নিতও করতে পারেননি এ সময়ে।