আকের প্রত্রিকাগুলোর প্রধান প্রধান খবর একসাথে দেওয়া হয়েছে:
যায়যায় দিন:
দিনাজপুরের তাপমাত্রা ৮.৫ ডিগ্রি, অব্যাহত থাকতে পারে আরও সাত দিন, ঢাকায়ও শৈত্যপ্রবাহের আভাস
টানা শীতে কাঁপছে সারাদেশ। যত দিন যাচ্ছে সর্বনিম্ন্ন তাপমাত্রার পারদও নিম্ন্নমুখী হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঘনকুয়াশা। এতে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আরও এক সপ্তাহ এ পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে। রোববার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চল ছিল ঘনকুয়াশার চাদরে ঢাকা, সূর্যের দেখা পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে কয়েক স্থানে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের অনুভূতি তীব্র করে তুলেছে। রাজশাহী, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
দেশ রুপান্তর:
সংসদে সম্ভাব্য বিরোধী দল স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি) কি মাঠেও বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন? ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ কি স্বতন্ত্র এমপিদের সেই সুযোগ করে দিতে যাচ্ছে নানা মহলে এমন আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে।এমন আলোচনাও রয়েছে, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা বাদে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকারের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সহায়ক শক্তি হিসেবে মাঠে থাকবেন এ স্বতন্ত্র এমপিরা। ধীরে ধীরে জনআকাক্সক্ষা পূরণ ও জনআস্থা নিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠবেন।
প্রথম আলো:
“রক্তাক্ত গাজা, তবু হামলা”রয়টার্স ও আল–জাজিরা
ফিলিস্তিনের গাজায় একটি বাড়ির ধ্বংসস্তূপের ভেতরে কী যেন হাতড়ে বেড়াচ্ছেন আবু আওয়েইদা। বললেন, ‘আমি এখানে প্রতিদিন আসি। তাঁদের খুঁজি।’ ধ্বংসস্তূপের নিচে আবু আওয়েইদা খোঁজেন তাঁর পরিবারের তিন শিশুকে। এখানেই ইসরায়েলের বিমান হামলায় ২২ স্বজনকে হারিয়েছেন তিনি।
গতকাল রোববার ফিলিস্তিন–ইসরায়েল সংঘাতের ১০০তম দিনেও গাজায় নির্বিচার হামলা চালানো হয়। এই উপত্যকার মানুষ এখন স্বজন হারানোর বেদনার সঙ্গে নিজের প্রাণ বাঁচানো নিয়ে
মানবজমিন:
“সরকার কৃপণতা করেনি, বরাদ্দের টাকা গেল কোথায়?”জাপা’র সভায় পরাজিত প্রার্থীদের প্রশ্ন
দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া জাতীয় পার্টির পরাজিত প্রার্থীরা। নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ হিসেবে তারা চেয়ারম্যান-মহাসচিবের নেতৃত্বকে দায়ী করেন। সেই সঙ্গে তারা প্রশ্ন তোলেন নির্বাচনের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ গেল কোথায়? সরকার কোনো কৃপণতা করেনি। অর্থ দিয়েছে। সেই অর্থ কোথায় গেল?
গতকাল রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেন নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীরা। এতে দলের বেশ কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতা বক্তব্য রাখেন। সভায় নির্বাচনে পরাজিত ৯২ জন প্রার্থী অংশ নেন বলে জানানো হয়। এ ছাড়া দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা-৪ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়া সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় ব্যানারে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ ও চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের ছবি ছিল। প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সেন্টু বলেন, আমার কাছে নির্বাচনের আগে ২৭ জন প্রার্থী আসলেন।
সংগ্রাম:
“সামনে হয়ত আরও দুর্দিন আসতে পারে-প্রধানমন্ত্রী ”
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধসহ নানা কারণে সামনে হয়ত আরও দুর্দিন আসতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমন অবস্থায় দেশে যেন খাদ্য সংকট না হয় সেজন্য উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
গতকাল রোববার বিকালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় নির্বাচনের আগে যারা জ্বালাও-পোড়াও করেছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ, সবার হাতে মোবাইল ফোন, সব জায়গায় সিসি ক্যামেরা আছে।
যারা এই কাজগুলো (জ্বালাও-পোড়াও) করছে তাদের খুঁজে বের করা হবে। ইতোমধ্যে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা জ্বালাও-পোড়াওয়ের জন্য হুকুম দিয়েছে, তাদেরও আমরা গ্রেফতার করছি। আর যেন কেউ এ ধরনের জঘন্য কাজ করতে না পারে, এটাই আমরা চাই।
নয়াদিগন্ত:
“চলছে আন্দোলনে সফলতা ও ব্যর্থতার পর্যালোচনা
”অল্প সময়ে পরিস্থিতি পাল্টে যাবে নেতাকর্মীদের এমন বার্তা দেয়া হচ্ছে
আন্দোলনে চূড়ান্ত লক্ষ্য এখনো অর্জিত না হলেও আশা হারাচ্ছে না বিএনপি। ৭ জানুয়ারির ভোট জনগণ বর্জন করেছে, এটিকে ‘সফলতা শুরুর ভীত’ হিসেবে বিবেচনা করে নতুন করে গুছিয়ে উঠতে চায় দলটি। আপাতত ‘উল্লেখযোগ্য’ কোনো কর্মসূচি আসছে না। দল ও যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোকে সাথে নিয়ে ৭ জানুয়ারি পূর্ব আন্দোলনের সফলতা-ব্যর্থতার পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিএনপির হাইকমান্ড ‘শর্ট টাইমে’ পরিস্থিতি পাল্টে যাবে নেতাকর্মীদের এমন বার্তা দিচ্ছে। জানা গেছে, জনগণের ভোট বয়কটের পাশাপাশি নির্বাচন নিয়ে গণতান্ত্রিক বিশ্ব বিশেষ করে পশ্চিমাদের অবস্থানই মূলত বিএনপিকে আশা জোগাচ্ছে। নেতারা বলছেন, মামলা-গ্রেফতারে বিপর্যস্ত বিএনপি কম সময়ের মধ্যেই ঘুরে দাঁড়াবে।
যুগান্তর:
,“ডলারের দাম বাড়বে কমবে টাকার প্রবাহ”
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা বুধবার/জানুয়ারি-জুন মেয়াদের এ মুদ্রানীতিতে প্রধান চারটি চ্যালেঞ্জ শনাক্ত করা হয়েছে।
বৈশ্বিক ও দেশীয়ভাবে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে চারটি প্রধান চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলার কৌশল নিয়ে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মেয়াদের মুদ্রানীতি আগামী বুধবার ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। জানুয়ারি-জুন মেয়াদের এ মুদ্রানীতিতে প্রধান চারটি চ্যালেঞ্জ শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-ডলার সংকট মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ানো, খেলাপি ঋণ কমানো, ব্যাংকগুলোতে তারল্যের জোগান বাড়ানো এবং মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণ। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে মুদ্রানীতিতে বেশ কিছু নতুন কৌশল নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারকে আরও বাজারভিত্তিক করা হবে। এতে বাজারে ডলারের দাম আরও বাড়বে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতির হার কমাতে টাকার প্রবাহ কমানো হবে।