আরও একটু সময় নিয়ে ডাকলে মনে হয় ভালো হত। সে আরও ম্যাচ খেলে যেতে পারত। তবে হয়ত ম্যাচ নাও খেলতে পারে প্ল্যানিংয়ে আছে সেজন্য ডাকসে। আমার মনে হয় আরেকটু প্রমাণ করে আসলে ভালো হত।’
আলিস আল ইসলাম। বাংলাদেশের রহস্য স্পিনার হিসেবে যিনি পরিচিতি পেয়েছেন চলতি বিপিএলে। তিনি প্রথমবারের মত ডাক পেয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় দলে। আসন্ন শ্রীলঙ্কা সিরিজের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে রাখা হয়েছে আলিসকে। এবারের বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে আলো ছড়িয়েছেন আলিস।
স্বল্প ওভারের ক্রিকেটে বিশ্বজুড়ে বর্তমানে রহস্য স্পিনারদের চাহিদা অনেক বেশি। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এখন প্রায় সব দলেই আছেন রহস্য স্পিনার। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত আসেননি কোনো রহস্য স্পিনার। তবে চলতি বিপিএলে আলিস আল ইসলাম স্পিনে ভালো করায় সেই খেতাব দেয়া শুরু করেছে অনেকেই। তার পুরস্কা হিসেবে জাতীয় দলেও ডাক পেয়েছেন তিনি। তবে তিনি একটু দ্রুতই যেন সুযোগ পেয়ে গেছেন দলে। খেলা হয়নি প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাচ। কুমিল্লার কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন মনে করছেন, একটু দ্রুতই জাতীয় দলে ডাকা হয়েছে আলিসকে। বুধবার(১৪ ফেব্রুয়ারী) খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সালাউদ্দিন বলেন, ‘(আলিসের জায়গা পাওয়ার ব্যাপারে) ইতিবাচক নেতিবাচক বলব না সে রহস্য স্পিনার যেটা হয়ত টিম ম্যানেজমেন্ট খুঁজতেসে। আরও একটু সময় নিয়ে ডাকলে মনে হয় ভালো হত। সে আরও ম্যাচ খেলে যেতে পারত। তবে হয়ত ম্যাচ নাও খেলতে পারে প্ল্যানিংয়ে আছে সেজন্য ডাকসে। আমার মনে হয় আরেকটু প্রমাণ করে আসলে ভালো হত।’
কষ্ট করে দলে আসলেই ভালো বলে মনে করেন সালাউদ্দিন, ‘আপনি যখন আমাকে প্রশ্ন করবেন তখন কিন্তু আপনি প্রশ্নের মর্মগুলা বুঝবেন। যদি প্রশ্ন না করেই অনেক কিছু পেয়ে যান তাইলে তো আর করবেন না। এটা শুধু প্লেয়ার না আমাদের কোচদের ব্যাপারেও একই কাহিনী ঘটতেসে। অনেকে হয়ত জাস্ট খেলা ছাড়সে। এসেই অনূর্ধ্ব-১৯ এর কোচ হয়ে গেসে এইচপি কোচ হয়ে গেসে। সে কোনো কিছু কষ্ট না করেই পেয়ে গেসে। আমি যদি ১০ বছর কষ্ট করে আসি তাহলে বুঝব যে মর্মটা কী। মাঝেমাঝে হয়ত খুব বেশি প্রতিভাবান ছেলে হলে তাদের সুযোগ দেওয়া উচিত। যদি কেউ থাকতে। আমার কাছে মনে হয় সবকিছু প্রক্রিয়ার মধ্যে আসলে ছেলেদের জন্যও ভালো, ক্রিকেটের জন্যও ভালো।’