অবশেষে প্রকাশ্যে আসলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবির সভাপতি সাদিক কায়েম। যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেরও একজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক। সম্প্রতি একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তার মতামত তুলে ধরেন। তিনি তার বক্তব্যে ফ্যাসিবাদ, রাজনৈতিক শোষণ এবং ছাত্ররাজনীতির পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন।
ঢাবি শিবির সভাপতি সাদিক কায়েম বলেন, “ফ্যাসিস্ট শোষণ শুধু ছাত্ররাজনীতি নয়, রাজনীতির সংজ্ঞাই পালটে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদে কোন রাজনীতি থাকে না; বিরাজনীতি ফ্যাসিবাদের ভাষা।” তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে বলেন, “টেন্ডারবাজি, গুম, খুন, ক্রসফায়ার, ধর্ষণ এবং দুর্নীতি—এসব রাজনীতি নয়, এটি ফ্যাসিবাদ।”
তিনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণার কথা তুলে ধরে বলেন, “চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সমস্ত ভুল ভেঙে দিয়েছে।” কায়েম দাবি করেন, “রাজনীতির আদর্শে ছাত্ররাজনীতির ব্যাপক ইতিবাচক সংস্কার হবে।”
সাদিক কায়েম ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, “মধুতে ভিন্নমতের কেউ চা খেলে অপর পক্ষের কেউ তেড়ে আসবে না। একাডেমিক পরিবেশে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।” তিনি ছাত্রসংসদ ভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে জোর দেন এবং বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে ভিন্নমতের প্রতি সম্মান থাকা উচিত।”
তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা চাই ছাত্ররাজনীতির সংস্কার গবেষণা, পলিসি ডায়ালগের মধ্য দিয়ে বাস্তবায়িত হোক।” কায়েমের এই ঘোষণার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোচনা এবং পরিবর্তনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।