এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন,ভোট প্রতিহত করার জন্য অসহযোগ আন্দোলন, কোথাও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে আপনাদের অবস্থান কী হবে- জবাবে তিনি বলেন, অন্যান্য জাতীয় নির্বাচনের সময় অংশীজন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর একমুখী সমস্যা থাকে, সেটা হলো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তার সমর্থকদের আচরণবিধি মানতে বাধ্য করা, সহিংসতা এড়াতে যে সমস্ত কার্যক্রম নিতে হয় সেগুলো। এবারের নির্বাচনে আরেকটি অতিরিক্ত সমস্যা, সেটি হচ্ছে আতঙ্কের একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা। দু’টি দলের আহুত প্রোগ্রামকে সামনে রেখে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ এই সমস্ত সংকাগুলো মোকাবেলা করে সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ গড়ে তোলার মতো একটি অবস্থান, ক্যাপাবিলিটি সবকিছুই তাদের রয়েছে।এজন্য প্রস্তুতিও রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে বৈঠক শেষে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান এসব কথা বলেন। বৈঠকে ঢাকা অঞ্চলের সকল ওসি, ইউএনও ও নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ যারা রয়েছেন তাদের সঙ্গে নিয়ে যেসমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা দরকার সে সমস্ত কার্যক্রম ইসি থেকে সিইসি মহোদয় বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিয়েছেন। এই আয়োজনটি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের। অর্থাৎ নগর, মহানগর ও আশেপাশের কয়েকটি জেলা নিয়ে। সে সমস্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভাও বলা যেতে পারে। যাতে কোনো সহিংসতা না হয় এবং তৃতীয় পক্ষ যেন কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে না পারে এবং সমস্যা সৃষ্টি করলে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।
সকালে ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ইসির নির্দেশনা মানতে সকলে বাধ্য। যারাই ইসির অধীনে কাজ করছে, তারাই এটি মেনে নিয়েছে যে, আগেরদিন নির্বাচনি অন্যান্য উপকরণ আগের দিন যাবে, সকালে যাবে ব্যালট।
এজন্য নির্বাচন কমিশন আগে এটা করেছে। এতে কোনো সমস্যা হবে না। সকলের প্রচেষ্টা থাকলে এই ভোটযুদ্ধ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবো।
পুলিশ কর্মকর্তারে বদলির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা সম্পূর্ণ বজায় রয়েছে। সকলেই ইসির নির্দেশনায় কাজ করতে বদ্ধপরিকর।
ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন,আমি মনে করি উৎসবমুখর ভোটের আয়োজন করতে পুলিশ অনেকখানি সফল হয়েছে। সবাই একসাথে হয়ে একটি উৎসবমুখর ভোট উপহার দিতে পারবো।অতীতের মতো এবারও অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে