অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই জড়িয়ে পড়ছে কিশোররা। যে বয়সে স্কুল শেষে বাসায় ফিরে মাঠে খেলা বা নতুন কিছু জানার কৌতুহলে মগ্ন থাকার কথা সেই বয়সে তারা জড়িয়ে পড়ছে মাদক, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণসহ নানা অপরাধে।
বিশেষ করে মাদকের ছোবলে পড়ে মাদকাসক্ত হয়ে এক সময় কিশোর বয়সেই হয়ে উঠছে মাদক কারবারি। সারাদেশে বেড়েছে এমন কিশোর অপরাধের সংখ্যা।
সমাজ সচেতনরা বলছেন, কিশোর অপরাধ বৃদ্ধিতে পরিবার থেকে সঠিক শিক্ষা না পাওয়াই অন্যতম একটি কারণ।শিশু বয়স থেকে চরিত্র গঠনে অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে হবে।
সন্তানের সব ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে একসময় তারা পরিবারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে জড়িয়ে পড়ে নানান ধরনের অপরাধে।
একিসাথে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের কারণে কিশোররা জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজে।
বিশেষ করে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে রাজনৈতিক নেতারা এই সকল তরুণদের দিয়ে বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করছে।
অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে অনেক বেশি, এবং নিজ সন্তানকে নৈতিক ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। খেয়াল করতে হবে যাতে কোনো সন্ত্রাসী বড় ভাইয়ের সাথে মিশতে না পারে।